আজকাল ওয়েবডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনীতিতে পরিবর্তন। বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে একাধিক নেতানেত্রী ও প্রধান বিজেপিতে যোগ দিলেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকেই পরিবর্তন হবে বলে দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।
মঙ্গলবার ক্যানিং থেকে তৃণমূলের একাধিক পদাধিকারী বিজেপিতে যোগ দেন। পঞ্চায়েত প্রধান থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ নেতৃত্ব। বহু তৃণমূল সমর্থক পরিবার এদিন বিজেপিতে যোগদান করেন। শুভেন্দু জানিয়েছেন, ‘দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে শুরু করে সন্দেশখালি বা বসিরহাটের কোনও আসন পাবে না তৃণমূল। সম্পূর্ণ গোসাবা ব্লক শূন্য হবে।’ তাঁর দাবি, তৃণমূল ডবল ডিজিট অতিক্রম করবে না।
শুভেন্দু জানিয়েছেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের গোসাবা ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতি ও গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সহ একাধিক তৃণমূল নেতা বিজেপিতে যোগদান করেছেন। শুভেন্দুর দাবি, সম্পূর্ণ গোসাবা ব্লক থেকে তৃণমূল শূন্য হবে আগামী বিধানসভায়। সন্দেশখালি, বসিরহাটে কোনও আসন পাবে না। যারা এদিন যোগদান করলেন তাদের ভোটের কাজে লাগানো হবে বলে জানান শুভেন্দু।
পাশাপাশি এদিন শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে পাল্টা আক্রমণ করেছেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় ৯১ লক্ষের নাম বাদ গেছে। শুভেন্দু জানিয়েছেন, ‘এর জন্য দায়ী মমতা ব্যানার্জি। ওনাকে আবার সুপ্রিম কোর্টে যেতে বলব। যাদের নাম বাদ গেছে এদের জন্য প্রধান দায়ী উনি। জুডিশিয়ালি ইনভলভমেন্ট মমতা ব্যানার্জির জন্যই হয়েছে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে গিয়েও কিছু হয়নি। বরং সুপ্রিম কোর্ট থেকে উনি দু’গালে থাপ্পড় খেয়েছেন।’ কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে মমতাকে আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন, ‘১৫ বছর ধরে যিনি চাকরি দেননি। আর কবে দেবেন? নন্দীগ্রামেই প্রায় ৩০ হাজারের বেশি মানুষ বাইরে চাকরি করেন।। উনি চাকরি নামক শব্দ পশ্চিমবঙ্গের সরকারি ব্যবস্থা থেকে তুলে দিয়েছেন।’
















