আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ সিভিক পুলিশ, গ্রিন পুলিশ, বা কোনও স্টুডেন্ট পুলিশকে ভোটের দিন বা তার আগের বা পরের দিন কোনও ধরনের ভোট সংক্রান্ত ডিউটিতে রাখা যাবে না। এমনকী কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটের পরদিন পর্যন্ত তারা ইউনিফর্ম পরে কোনও ডিউটি করতে পারবেন না। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, অতীতে ভোটের সময় সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব বা বিশৃঙ্খলা তৈরির অভিযোগ উঠেছিল, তাই কমিশনের এই কড়া অবস্থান। এটা ঘটনা, বুথের ভেতরে বা বাইরে ভোটারদের লাইনের তদারকি বা নিরাপত্তা রক্ষার কাজে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং নিয়মিরাজ্য পুলিশ কর্মীরা থাকবেন। নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, এই নির্দেশ অমান্য করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ কার্তুজ সহ গ্রেপ্তার নাবালক। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শহর কলকাতায় অভিযান চালিয়ে এই সাফল্য পেল কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। অভিযুক্ত নাবালকের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ কার্তুজ। 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর প্রায় ১২টা ১৫ মিনিট নাগাদ স্ট্র্যান্ড রোডের পূর্ব দিকের ফুটপাথে পিডব্লিউডি পরিচালিত একটি ‘‌পে অ্যান্ড ইউজ’‌ টয়লেটের সামনে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায় এক যুবককে। গোপন সূত্রে তথ্য পেয়ে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ এর একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আটক করে।

আটক নাবালকের পরিচয় মহম্মদ ইউসুফ (১৭)। বাড়ি বিহারের নালন্দা জেলার সেখানা গ্রামে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে তল্লাশি করা হলে তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়, তিনটি দেশি একনলা আগ্নেয়াস্ত্র, দুটি ৭ মিমি পিস্তল, চারটি ম্যাগাজিন, ৮ মিমি ক্যালিবারের ১৮টি কার্তুজ, ৭.৬৫ মিমি ক্যালিবারের ২২টি কার্তুজ। 

উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ সম্পর্কে অভিযুক্ত কোনও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেনি বলেই জানিয়েছে পুলিশ। এরপরই সমস্ত অস্ত্র ও গোলাবারুদ বাজেয়াপ্ত করা হয়। বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট নাগাদ ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় এসটিএফ থানায় একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।