আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মৃত্যুর ১২ ঘণ্টার মধ্যেই সিট গঠন করে তদন্ত শুরু হল। সিআইডি আইজির নেতৃত্বে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম গঠন করে চন্দ্রনাথ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু হল। সিআইডি, আইবি ও বেঙ্গল এসটিএফের আধিকারিকরা এই বিশেষ তদন্তকারী দলে রয়েছেন।
গতকাল রাতের পর আজ সকালেও শুভেন্দু অধিকারী বারাসাত হাসপাতালে যাচ্ছেন। শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক খুনের পরই বাড়ানো হল শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তা। যেভাবে চন্দ্রনাথকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে, সেখান থেকেই শুভেন্দুর নিরাপত্তা বাড়ানো হল।
প্রসঙ্গত, মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় বুধবার রাতে খুন হয়েছেন শুভেন্দুর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ। খবর পেয়ে রাত ১২টার পর হাসপাতালে পৌঁছন শুভেন্দু। রাজ্য বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বও একে একে সেখানে যান। চন্দ্রনাথের স্ত্রী এবং মেয়ের সঙ্গে রয়েছেন তাঁরা। চন্দ্রনাথ রথের স্ত্রীর সঙ্গে মধ্যমগ্রামের হাসপাতালে গিয়ে দেখা করেন রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত।
এদিন মধ্য রাতে শুভেন্দু আরও বলেন, "আমি ভগ্ন হৃদয় নিয়ে এসেছি এখানে। আমাদের জনপ্রতিনিধিদের কিছু মানুষের ওপর নির্ভর করতে হয়। ওঁ অরাজনৈতিক ব্যক্তি। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ওঁ ছিল না। আমরা এই মুহূর্তে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব না। আমরা সবাইকে আশ্বস্ত করছি, রাজ্য পুলিশের ডিজি এসেছিলেন। আমাকে এবং সুকান্ত মজুমদারকে জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতি দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করবেন। গত ২-৩ দিন ধরে একটি ফলস নম্বরপ্লেট লাগানো গাড়ি নিয়ে ঘোরাঘুরি চলছিল। এটি সম্পূর্ণভাবে পূর্বপরিকল্পিত, ঠান্ডা মাথায় খুন।"
এরপরই শুভেন্দু আরও বলেন, "আমি রাজ্যজুড়ে বিজেপির সমস্ত কর্মী, সমর্থকদের অনুরোধ করব, আপনারা কেউ আইন হাতে তুলে নেবেন না। দু'দিনের মধ্যেই বিজেপি সরকার দায়িত্ব নেবে। অভয়ার মতো যাতে বিচারহীন না থাকে, তার ব্যবস্থা আমরা করব। সবাইকে অনুরোধ করব, শান্তি বজায় রাখুন এবং এই পরিবারগুলোর পাশে থাকুন। আমরা থাকতে থাকতেই খড়দহতে বোমাতে একজন আহত, বরানগরে একজন আহত, বসিরহাটে একজন গুলিবিদ্ধ, এই খবরগুলো পেলাম। যাতে আর কোনও মায়ের কোল খালি না হয়, তা দেখতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "দেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের হাতে তুলে দেব আমরা। সারাজীবন ওঁর পরিবারের পাশে থাকব। আহত হয়েছেন যাঁরা, তাঁদের চিকিৎসার দায়িত্ব আমরা নিয়েছি।"
















