মিল্টন সেন, হুগলি: দ্বিতীয় দফায় রাজ্যের অন্য জেলাগুলোর পাশাপাশি রয়েছে হুগলিতেও ভোট। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে তৎপর হুগলি প্রশাসন। এই নিয়ে রবিবার একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন হুগলির জেলাশাসক খুরশিদ আলী কাদরী এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার যাদব।
এদিন হুগলির জেলাশাসক বলেন, ভোটের দিন শুধুমাত্র বৈধ ভোটার ছাড়া পোলিং স্টেশনের ১০০ মিটার মধ্যে কোনও জমায়েত করা যাবে না। পোলিং বুথে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। যদি কেউ মোবাইল নিয়ে ভোট দিতে যান তবে বুথের বাইরে মোবাইল কর্নার থাকবে সেখানে তাকে মোবাইল জমা দিয়ে বুথে প্রবেশ করতে হবে। তারপরও যদি বুথের ভেতরে কেউ মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটের দিন ১৬৩ ধারা লাগু থাকবে। কোনও দলীয় প্রার্থী যদি ক্যাম্প করেন তবে সেই ক্যাম্প বুথের ২০০ মিটার দূরে করতে হবে। তবে সেই ক্যাম্পেও দুই থেকে তিনজনের বেশি থাকতে পারবেনা।
প্রত্যেক বিধানসভার হোটেলগুলি ভাড়া দেওয়া হয় থাকার জন্য। সেই সব হোটেলে আচমকা ভিজিট করবে পুলিশ যাতে অন্য বিধানসভার মানুষ না আসতে পারে। অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত হুগলি জেলা প্রশাসন।
চন্দনগর পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার যাদব বলেন, চন্দননগর পুলিশ কমিশনার এলাকায় প্রত্যেক থানায় একটি করে লিস্ট তৈরি করা হয়েছে যারা ট্রাবল মেকার। যাদের বিগত নির্বাচনে অশান্তি বা ক্রিমিনাল কার্যকলাপ রয়েছে এমন সব ট্রাবল মেকারদের কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে যাতে এই নির্বাচনে তারা কোনওরকম অশান্তি ঘটানোর চেষ্টা না করে। ইতিমধ্যেই কমিশনারড এলাকায় ২৮ জনকে কাস্টডিতে নেওয়া হয়েছে। বাকি ১৭২ জনকে প্রতিদিন লোকাল থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি সকলের থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে যে তারা এই নির্বাচনে কোনওরকম অশান্তি করবে না। ভোট ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় রুট মার্চ চলছিল। এবার সেই রুট মার্চের সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়েছে। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী বাইক চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ভোটের আগের দিন সন্ধে ছটা থেকে পরের দিন ভোর ছটা পর্যন্ত জরুরি কাজ ছাড়া একাধিক ব্যক্তি বাইকে চলাচল করতে পারবে না। অযথা জমায়েতও করা যাবে না।















