আজকাল ওয়েবডেস্কঃ শনিবার একাধিক বিষয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আমতলায় অভিষেক ব্যানার্জির পার্টি অফিস ভাঙা, তৃণমূলের ভাঙ্গন-সহ নানা বিষয়ে সাংবাদিকের কাছে বক্তব্য রাখলেন বিজেপির মন্ত্রী।

 

এদিন অভিষেক ব্যানার্জির আমতলার বেআইনি পার্টি অফিস ভাঙা হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, "বেআইনি নির্মাণ মাথা উঁচু করে থাকা উচিত না। মাথা নত করে থাকা উচিত। তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার যখন ছিল, তারা মনে করত গোটা রাজ্য তাদের জমিদারি চলবে। কোনও বৈধ প্ল্যান ছাড়া বিল্ডিং তৈরি করতে পারবে, যাকে ইচ্ছে গ্রেফতার করাতে পারবে। যা ইচ্ছে তাই করতে পারবে। সেই জন্য রাজার মতো তারা থেকেছে সকলে। এখন বাংলায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তখন শাসকের আইন চলত। আইনের শাসনের ক্ষেত্রে এটা চলতে পারেনা। বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হয়েছে, সেটাই তো উচিত। আমতলা, জাহাঙ্গীর থেকে শুরু করে সবার দৌরাত্ম্য মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে।"

 

 

শনিবার লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তি নিয়েও বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী। বলেন, "লিপস্ এন্ড বাউন্স এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়- এই দু'টি প্রায় সমর্থক শব্দ। সংস্থায় একসময় ডিরেক্টর পদে তো অভিষেক ব্যানার্জিই ছিলেন। সংস্থার মাধ্যমে প্রচুর অনৈতিক কাজকর্ম চলয়। কালো টাকাকে সাদা করা বা জায়গা দখল করে পার্টি অফিস বানানো বা অভিষেক ব্যানার্জির অফিস বানানো-এই সমস্ত কিছুই হয়েছে। পাপের ঘড়া পূর্ণ হলে সেই পাপের হিসেব তো দিতে হবে।"

 

তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়েও এত টাকা কিভাবে এল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, "এ টাকা কোথায় গেল কোন ব্যক্তিগত ব্যক্তির একাউন্টে ঢুকল, তা নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত। ব্যক্তিগত কারওর পকেটে ঢুকলে, তাহলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা উচিত।"

 

রাজারহাটের নারায়ণপুরে বিস্ফোরণ কান্ড নিয়েও মতামত জানান সুকান্ত। বলেন, "এখনও পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ দু'জনকে গ্রেপ্তার করেছে। প্রয়োজনে এনআইএ তদন্ত হবে। তদন্ত করলে ঘটনার প্রকৃত কারণ বোঝা যাবে।"

 

 

অন্য একটি প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, বিজেপি সরকার ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে মানুষের সুবিধার্থেই এই পরিবর্তন বলে দাবি তাঁর।