আজকাল ওয়েবডেস্ক: অসংসদীয় ভাষা ব্যবহারের জন্য বুধবারই বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জিকে। বৃহস্পতিবার তাঁকে দেখা গেল সংসদের বাইরে একা স্লোগান দিতে। নিশানায় বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদরা। গলায় ঝোলানো ছিল একটি পোস্টার। তাতে লেখা, ‘বিজেপির সঙ্গে ২০ জন বেইমান মিশে রয়েছে।’
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সংসদ ভবন চত্বরে একা একা বিক্ষোভ করতে দেখা যায় কল্যাণকে। গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে কখনও দাঁড়িয়ে, কখনও বসে প্রতিবাদে সরব হতে দেখা যায় কল্যাণকে। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, “ভাজপাকে সাথ সদন মে, ২০ গদ্দার মওজুদ হ্যায়।” অর্থাৎ, “সংসদে বিজেপির সঙ্গে ২০ জন বেইমান উপস্থিত রয়েছে।” একই কথা স্লোগানও তুলতে দেখা যায় তৃণমূল সাংসদকে।
এনসিপিআইয়ের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার অভিযোগ করেছিলেন যে কল্যাণ মহিলা সাংসদদের বিরুদ্ধে অশালীন ভাষার প্রয়োগ করেছেন। এরপরেই সাংসদ কল্যাণকে বাদল অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার প্রস্তাব বুধবার লোকসভায় পাশ হয়েছে।
প্রিসাইডিং অফিসার কৃষ্ণপ্রসাদ তেন্নেতি জানান, কল্যাণের ভাষার প্রয়োগের ফলে সংসদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এর ফলে তাঁকে বাদল অধিবেশন থেকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিরোধী সাংসদদের স্লোগানের মধ্যেই ধ্বনিভোটে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। প্রস্তাবটি গৃহীত হওয়ার পর কল্যাণকে সংসদ চত্বর ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিরোধী সদস্যরা স্লোগান দিতে থাকায় ওই দিনের জন্য লোকসভার অধিবেশন মুলতবি করা হয়।
বুধবার সকালে বিরোধী দলের প্রতিবাদের মুখে অধিবেশন মুলতবি হওয়ার পর, কল্যাণ তাঁর প্রাক্তন তৃণমূল সহকর্মীর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন। তাঁর সেই সহকর্মীরা এখন ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)-এর সদস্য। এনসিপিআইয়ের সাংসদদের মধ্যে ছিলেন মিতালী বাগ, শতাব্দী রায় এবং কাকলী ঘোষ দস্তিদার। কী কারণে এই উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় তা জানা যায়নি এখনও।
















