রিয়া পাত্র 

মঙ্গলবার থেকে জল্পনা সূত্রপাত। বুধে সেই জল্পনা বাড়ে কয়েকগুণ। মমতা-সনিয়া, অভিষেক-রাহুলের দফায় দফায় বৈঠকের পর, জল্পনা দেশের রাজনীতিতে, মমতা ব্যানার্জি যে কংগ্রেস ভেঙে একসময় তৃণমূল তৈরি করেছিলেন, ফের সেই  কংগ্রেসেই ফিরবেন। যদিও মমতা ব্যানার্জি এই জল্পনার মাঝেই ফিরছেন কলকাতায়। 

 

কিন্তু যদি এই জল্পনা সত্যি হয়, তাহলে কী হবে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের? আজকাল ডট ইন শুভঙ্কর সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তিনি সাফ জানান শর্তের কথা। 

 

প্রদেশ কংগ্রেস  সভাপতি সাফ জানান, দুই দলের সংযুক্তিকরণ নিয়ে যদি আলোচনা হয়ে থাকেও, তা দিল্লিতেই। সেই বিষয়ে তাঁর কাছে কোনও তথ্য নেই। তবে, তাঁর কিছু শর্ত থাকছে। কী সেই শর্ত? কী বলছেন শুভঙ্কর?

 

বলছেন, 'বিজেপির অরাজকতার বিরুদ্ধে দেশে যদি কেউ লড়াই করছে, তাহলে সেটা কংগ্রেস। সেই রাহুলের দলের দরজা তখনই খোলা থাকবে কারও জন্য, যখন একইভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ধক দেখাতে পারবে কেউ। সঙ্গেই আমার বক্তব্য, এই দলের দরজা খোলা থাকবে তাঁদের জন্যই, যাঁরা রাহুল গান্ধীকে মানতে পারবেন প্রধানমন্ত্রীর  মুখ হিসেবে। শর্ত এটাই।'  

 

তবে, তৃণমূল আর কংগ্রেসের সংযুক্তিকরণের জল্পনায় প্রশ্ন কংগ্রেসের ভিতরেও। যেমন আব্দুল মান্নান আজকাল ডট ইন-কে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো প্রসঙ্গে সাফ জানিয়েছেন, নিজের দল হোক বা অন্য দল, রাজনীতিতে বিশ্বাস যোগ্যতাই নেই মমতার। 

 

সোনিয়া-মমতা সাক্ষৎ মঙ্গলে। বুধেই বৈঠকে পরবর্তী প্রজন্ম। দিল্লিতে একদিকে যখন তাঁর হাত ধরে তৃণমূলে আসা সাংসদ ইস্তফা দিচ্ছেন, তখনই দিল্লিতে বৈঠকে বসলেন রাহুল গান্ধী-অভিষেক ব্যানার্জি। দিল্লিতে কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেস নেতা, প্রায় ঘণ্টা দেড় বৈঠক করেন। বাংলার ভোট, ভোট পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে দু'জনের, সূত্রের খবর তেমনটাই। দফায় দফায় বৈঠকের পরেই, জল্পনা বেড়েছে। যদিও এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো, এখনও কোনও বার্তা দেননি। এখন নজর, মমতার  মন্তব্যে।