আজকাল ওয়েবডেস্ক: তৃণমূল দল থেকে বহিষ্কার করেছিল ঋতব্রত ব্যানার্জি, সন্দীপন সাহাকে। যদিও, তাঁদের বহিষ্কারে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল আদালত। ৩০ জুন পর্যন্ত ঋতব্রত-সন্দীপনের বহিষ্কারের নির্দেশ কার্যকর করা যাবে না বলে জানিয়েছিল আদালত। তবে ঋতব্রত-সন্দীপনের মূল ক্ষোভ ছিল অভিষেক ব্যানার্জির বিরুদ্ধে। সোমবার শহরের পাঁচতারা হোটেলে বৈঠক ডেকে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জিকেই সাসপেন্ড করে দিল টিম ঋতব্রত, জানা যায় তেমনটাই। যদিও ঋতব্রত নিজে জানিয়েছেন, এই ধরনের কোনও আলচনা হয়নি আজ। অন্যদিকে দলের চেয়ারপার্সন পদ থেকে সরিয়ে সেই পদে অরূপ রায়কে বসিয়েছে 'আসল তৃণমূল'। তৈরি করা হয়েছে ওয়ার্কিং কমিটি।
সূত্রের খবর, সোম বিকেলে, জোড়াফুল প্রতীককে সামনে রেখে টিম ঋতব্রত যে বৈঠক করে, সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান করা হয়েছে অরূপ রায়কে। নতুন ওয়ার্কিং কমিটিও গঠন করা হয়েছে বলে খবর সূত্রের। সেখানে সভাপতি করা হয়েছে অরূপ রায়কে। জানা গিয়েছে, নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে ৩০ জনকে নিয়ে। সাধারণ সম্পাদক পদে থাকছেন- জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সাবিনা ইয়াসমিন। ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন-ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, রথীন ঘোষ। আখরুজ্জামান খান হয়েছেন কোষাধ্যক্ষ।
কিন্তু, মমতা ব্যানার্জিকে চেয়ারপার্সন পদ থেকে সরানো সম্ভব কি? মদন মিত্র বলছেন, 'দলের যে সংবিধান রয়েছে, তাতে এরকম করা যায় বা। দলের স্থায়ী চেয়ারম্যান হিসেবে মমতা ব্যানার্জির নামই রয়েছে।' কিন্তু এই পরিস্থিতি কেন দলের? মদন বলছেন, 'যখন কোনও দলে বিদ্রোহ হয়, নানারকম ঝগড়া চলতে থাকে, তখন এই ধরনের ঘটনা ঘটে। অন্যান্য দলেও ঘটেছে। কিছু লোক, তারা এরকম করার চেষ্টা করছে। আমার ধারণা বাংলার মানুষ মমতা ব্যানার্জির মুখ দেখেই ভোট দিয়েছেন।'
অন্যদিকে কুণাল ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, 'এটি একটি হাস্যকর নাটক। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত এক ব্যক্তি একটি বিশেষ অধিবেশন করছেন। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন এবং আমাদের বিশ্বাস, ন্যায়বিচারই হবে। এ ধরনের হাস্যকর আচরণকে আমরা কোনো গুরুত্ব দিই না। তৃণমূল মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়; বাকি সবকিছুই সার্কাস।' সূত্রের খবর, এদিন কালীঘাটের বৈঠকে আইনি পথে হাঁটার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
















