আজকাল ওয়েবডেস্ক: শীতের মাঝেই বড় আতঙ্ক রাজ্য জুড়ে। নিপা'র থাবা। ইতিমধ্যে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দু'জন নার্স। বয়স ২২ এবং ২৫ বছর। জানা গিয়েছে তাঁদের একজন সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানে গিয়েছিলেন। একজনের বাড়ি সেখানেই, অপরজনের বাড়ি নদিয়ায়। কিন্তু রাজ্যের বাইরে যাওয়ার কোনও ইতিহাস নেই অতিসম্প্রতি।
বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ওই দুই নার্স। সেখানেই তাঁরা কর্মরত। জানা গিয়েছে কাটোয়ার বাসিন্দা, তিনি বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ডিসেম্বরের শেষে। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে সেখানে ভর্তি করা হয়, পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় স্থানান্তরিত করা হয় বলে খবর সূত্রের। গত সপ্তাহ থেকেই তাঁরা ভর্তি হাসপাতালে। দু'জনেই রয়েছেন আইসিইউ'তে। যদিও ওই দু'জন ছাড়া আর কোনও সংক্রমণের তথ্য সামনে আসেনি এখনও পর্যন্ত। সংক্রমণের তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই বৈঠক করে সতর্ক করল সরকার।
পরিস্থিতি বিচারে রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে দুটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে। নম্বরদুটি হল- 033-2333-0180 এবং 98747-08858। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে ভাইরাসের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনণাক্তকরণ শুরু করা হয়েছে এবং ভাইরাসের আরও বিস্তার রোধে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (SOP) বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম এদিন নিপা সংক্রমণ প্রসঙ্গে বলেন, 'আতঙ্কের কোনও কারণ নেই।' সঙ্গে তিনি এও জানান, 'রাজ্য পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।'
সঙ্গেই তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গে নিপা ভাইরাসের রোগীদের পরীক্ষা করার পর্যাপ্ত পরিস্থিতি রয়েছে, দুই রোগীর পরিবারের সদস্যরাও নিবিড় চিকিৎসা পর্যবেক্ষণে রয়েছেন বলেও জানান স্বাস্থ্য সচিব।
মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, 'SOP সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হয়েছে।' এই ভাইরাসের মূল বাহক হিসেবে বাদুড়কে চিহ্নিত করা হয়। সেই কারণেই বাদুড়ের সংস্পর্ষে আসা কোনও খাবার না খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
