আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোমবারই দিল্লি যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। পূর্ব ঘোষণা মেনেই যন্তর মন্তরে 'ককরোচ জনতা পার্টি'র মঞ্চে যোগ দিতে চলেছেন মমতা। এ বার সে কথা রেখেই প্রতিবাদ আন্দোলনে যোগ দেবেন তিনি।

 

একুশে জুলাইয়ের শহিদ স্মরণ সভা থেকেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। নিট ইস্যুতে সিজেপি-র আন্দোলনকে আগেই সমর্থনের কথা জানান তিনি। বলেন, "প্রয়োজনে প্রতিবাদ আন্দোলনে তিনিও যোগ দেব।" সূত্রের খবর, সোমবারই সেই উদ্দেশ্যে দিল্লি যাচ্ছেন তিনি।

 

সোমবার, ২০ জুলাই, সংসদের বাদল অধিবেশনের শুরুর দিনেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নয়াদিল্লি। ওই দিন 'ককরোচ জনতা পার্টি'র (সিজেপি) 'সংসদ চলো' অভিযানকে কেন্দ্র করে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল সেন্ট্রাল দিল্লি। প্রথমে মিছিল শুরুর আগেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের মৃদু লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করা হয়। এর পর ফের মিছিল এগিয়ে দিল্লির কেন্দ্রস্থলে পৌঁছতেই আটকে দেয় পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের আটকাতে টিয়ার গ্যাসের শেল, লাঠিচার্জ, পেলেট গান এবং জলকামান ব্যবহার করে বিশাল পুলিশবাহিনী।

 

সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২১ জুলাই তিনি মঞ্চ থেকে কেন্দ্রের পদক্ষেপ এবং পুলিশি লাঠিচার্জের তীব্র আক্রমণ করেন মমতা। বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, "দিল্লিতে দেখুন, ছাত্র-যুবদের ওপর অত্যাচার হচ্ছে। যে বেইমানি করবে তাঁকে সমর্থন করার দরকার নেই। দরকার হলে ককরোচ জনতা পার্টির কর্মসূচিতে আমি নিজে যাব।"

?ref_src=twsrc%5Etfw">July 24, 2026

 

বিরোধী দলগুলির মধ্যে কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধি ভঢরা-সহ কংগ্রেস নেতৃত্বরা দু'দিন প্রতিবাদ আন্দোলনের সংঘঠিত করেন। প্রথমদিন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন অভিযানে যান তাঁরা। দ্বিতীয়দিনে নিটে আত্মঘাতী পড়ুয়াদের স্মরণে এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের প্রতিবাদে গান্ধী স্মৃতির উদ্দেসে কর্মসূচি ছিল ইন্ডিয়া ব্লকের। এ বার পড়ুয়াদের পাশে থাকতে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা।