আজকাল ওয়েবডেস্ক: সদ্য কলকাতার স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল দেওয়ার দায়িত্ব পেয়েছে ইসকন। এরই মধ্যে কলকাতা ইসকনে বড় রদবদল। আচমকাই সরিয়ে দেওয়া হল কলকাতা ইসকনের সহ-সভাপতি রাধারমণ দাসকে।
জানা গিয়েছে, তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তিনি যেন আর ইসকনের তরফে সংবাদমাধ্যম, সরকারি কর্তৃপক্ষ বা কোনও প্রকাশ্য মঞ্চে বক্তব্য না রাখেন। এক বিবৃতিতে রাধারমণ দাস জানান, ইসকনের তরফে তাঁকে জানানো হয়েছে, বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশে হিন্দু ও ইসকন ভক্তদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য রাখা এবং চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভুর বিষয়ে সমর্থনে কথা বলা। উল্লেখ্য, এর আগে বিজেপি সাংসদ মানেকা গান্ধী ইসকনকে ‘দেশের সবচেয়ে বড় প্রতারক’ বলে তোপ দেগেছিলেন।
সেই সময়ে মুখ খুলেছিলেন রাধারমণ। তিনি জানান, ইসকনের বিরুদ্ধে করা কিছু অভিযোগের জবাবে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও তাঁকে সরানোর অন্যতম কারণ। হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
মানেকা গান্ধীর করা অভিযোগের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানোর বিষয়টিকে কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন তিনি। এছাড়াও কমেডিয়ান সুরলীন কৌরের বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ দায়েরের বিষয়টিও উঠে এসেছে।
ইসকন ভক্তদের নিয়ে তাঁর করা আপত্তিকর মন্তব্যের প্রতিবাদে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন রাধারমণ। এমনকী, সনাতন ধর্ম নিয়ে বিতর্কের সময় প্রকাশ্যে সনাতন ধর্মের পক্ষে বক্তব্য রাখা এবং ‘সনাতন ধর্ম বিরোধী’ প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সরব হওয়ার বিষয়টিও কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
বিবৃতিতে রাধারমণ দাস আরও বলেন, ১৯৭৬ সালের নিউইয়র্ক রথযাত্রার সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের যোগসূত্র নিয়ে একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট শেয়ার করাও আলোচনায় এসেছে।
তাঁর দাবি, গত ২৯ মে ২০২৬ একটি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দেওয়ার পর পরিস্থিতি আরও চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছয়। যদিও তিনি জানিয়েছেন, ইসকনের সিদ্ধান্তকে সম্মান করছেন এবং সংগঠনের দেওয়া নির্দেশ মেনে চলবেন।
রাধারমণ দাস জানিয়েছেন, এখন থেকে তিনি ইসকনের প্রতিনিধি হিসেবে কোনও সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেবেন না বা এই বিষয়গুলি নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করবেন না।














