রিয়া পাত্র: একুশের মঞ্চ। মমতা ব্যানার্জি বললেন, নতুন করে পথচলার কথা। দিলেন নয়া সূচনার বার্তা। এসবের মাঝেই, তাল কেটেছে কল্যাণ ইস্যুতে। আচমকা বিড়লার সামনে রটে যায়, কল্যাণ চটেছেন দিদির উপর। যা রটল, তাই কি ঘটল? আজকাল ডট ইন জল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করতে, কল্যাণ বলেছিলেন গায়ে জ্বর।
তবে তার কয়েকঘণ্টা পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বোমা ফাটিয়েছেন সাংসদ। লম্বা পোস্টে লিখেছেন, তার সংক্ষিপ্তসার, একদিন 'কালীঘাট সূত্র' দলটাকে ধ্বংস করবে। কারণ? কারণ সেই দুপুরের বিবাদ। দুপুরের বিবাদই কি তবে রাতে বাড়ল? আচমকা দুপুরের কথোপকথন কেন তুলে ধরলেন? কেনই বা গত কয়েকমাসের একাধিক নেতার নিজেদের এলাকায় না যেতে পারার প্রসঙ্গ তুললেন? কালীঘাট সূত্র বলে ইঙ্গিত কার দিকে? নিশানায় কি অভিষেক? আজকাল ডট ইন উত্তর জানতে ফের যোগযোগ করে কল্যাণ ব্যানার্জির সঙ্গে।
তিনি একুশে জুলাই সমাবেশ সেরেই পৌঁছে গিয়েছেন দিল্লিতে। সেখান থেকেই বলেন, তিনি ক্ষুব্ধ, কারণ তিনি যা প্রকাশ্যে আনেননি, তা প্রকাশিত হয়েছে অন্য কারও মাধ্যমে। ক্ষুব্ধ কল্যাণ বলছেন, 'কারা যে মমতাদির কান ভাঙায়, আমি জানি না। এতে দলের ক্ষতি হয়। এভাবেই ক্ষতি হয় দলের।'
কল্যাণ ব্যানার্জি সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখেছেন? লিখেছেন, 'কুণাল ঘোষের বক্তব্য অনুযায়ী, বক্তাদের তালিকায় সৌগত রায় ছাড়া আর কোনও সাংসদের নাম ছিল না; সৌগত রায়ের ‘দিদি’র উপস্থিতিতেই ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল। তালিকায় থাকা বক্তা প্রিয়াঙ্কা অধিকারী ও উপাসনা দীর্ঘ সময় ধরে উপস্থিত না থাকায় আমাকেই ভাষণ শুরু করতে হয়েছিল। আমি যখন ভাষণ দিচ্ছিলাম, তখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভাস্থলে পৌঁছান এবং মঞ্চে ঘুরে বেড়াতে ৫ মিনিট সময় নেন; ফলে আমাকেও ৫ মিনিটের জন্য ভাষণ থামাতে হয়। একইভাবে ‘দিদি’র ক্ষেত্রেও আমাকে ভাষণ থামাতে হয়েছিল। এরপর আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করি যে আমি ভাষণ চালিয়ে যাব কি না। তিনি সম্মতি দিলে আমি তা চালিয়ে যাই।'
তাঁর বিরুদ্ধে তথ্য ফাঁস করছেন কেউ, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে অভিযোগ কল্যাণের। লিখেছেন, 'ভয়ের কারণে গত দুই মাসে বক্তাদের মধ্যে কেউই জেলা সফরে যাননি। অথচ গত দুই মাসে আমাদের কর্মীদের মনোবল বাড়াতে আমি বহু জেলা সফর করেছি। কালীঘাটের এই সূত্রগুলোই দলটাকে ধ্বংস করে দেবে।'
















