দীক্ষা ভুঁইয়াঃ বিধানসভার কার্যপ্রণালীকে আরও স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভার কার্যপ্রণালিকে আরও প্রশ্নোত্তরমূলক এবং সময়বদ্ধ করতে এই ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। বিধায়কেরা মন্ত্রীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তার সাতদিনের মধ্যেই দিতে হবে জবাব। সেই ঘোষণার পরই মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের নেতা ফিরহাদ হাকিম।
সোমবার বিধানসভায় শুভেন্দু জানান, বিধানসভার অধিবেশন চলাকালীন একাধিক বিধায়ক জনস্বার্থ বা রাজ্যের উন্নয়নের জন্য স্বার্থে এই আবেদন করেন। কিন্তু বিধায়কদের উত্থাপন করা উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রস্তাব আর অনির্দিষ্টকাল ধরে সরকারি দফতরে পড়ে থাকবে না। প্রতিটি আবেদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দফতরকে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পদক্ষেপ করতে হবে। সেই অগ্রগতির উপর নজর রাখবে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর দফতর বা সিএমও অফিস। এই প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বলেন, 'নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী'।
এ দিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিধানসভার ‘উল্লেখ পর্বে’ বিধায়কদের উত্থাপিত প্রতিটি বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরকে এক সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিধায়কের কাছে লিখিতভাবে সরকারের অবস্থান জানাতে হবে। শুধু উত্তর দিলেই হবে না, কাজটি কতদিনের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব, তারও একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করতে হবে। কোনও আবেদন বাস্তবায়ন করা সম্ভব না হলে তার কারণও লিখিতভাবে জানাতে হবে।
নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি উত্তর ও অগ্রগতি রিপোর্টের একটি অনুলিপি বাধ্যতামূলকভাবে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে পাঠাতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি নিজেই বিষয়গুলির অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন এবং সর্বোচ্চ তিন মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আবেদনের বিষয়ে সরকারের চূড়ান্ত অবস্থান নিশ্চিত করা হবে।
















