আজকাল ওয়েবডেস্ক: কটাক্ষ, পালটা কটাক্ষ। একুশে জুলাইয়ের সভামঞ্চ থেকে অভিষেক আক্রমণ শানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে। বুধবার, মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় ফিরিয়ে দিলেন তা। পালটা উত্তর, আরও তীব্র কটাক্ষ। শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, 'কালকে অনেক বড় বড় কথা বলেছেন। আয় শুভেন্দু অধিকারী, আয় অমিত শাহ। কী বলেছিলেন? ডিজে বাজাবেন চার তারিখে। অমিত শাহ যেন থাকে ডিজে বাজিয়ে দিয়েছে। বাংলার লোকেদের সামনেএই হিরো কায়দায় ২০০০ লোকের সঙ্গে হাত নাড়ত।' তারপরেই বলেন, 'প্রতিষ্ঠিত চোর ওই ছোঁড়াকে বলে গেলাম, দূরে থাকবেন না বাইরে থাকবে সেটা ভবিষ্যৎ বলবে। যেখানেই থাকুন ডায়মন্ড হারবারে লড়ুন। ৪০ শতাংশ মুসলিম ভোট আছে, তারপরেও যত ভোটে জিতেছেন তত ভোটে যদি হারাতে না পারি মিলিয়ে নেবেন আপনি। আপনার অবস্থা পুষ্পার থেকে খারাপ হবে।'

 মমতা ব্যানার্জিকেও তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, 'আপনি এত বড় নেত্রী, এবারে মিত্র ইনস্টিটিউশনে চারটি বুথে হেরেছেন আমার কাছে মুখ্যমন্ত্রী মিত্র ইনস্টিটিউশনে চারটি বুথে হারা। ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৪০০০ ভোটে হারা। আপনি দুটো পিলারের উপর দাঁড়িয়ে ছিলেন একটা পুলিশ একটা প্যাক প্যাক দুটো পিলার আপনার কাছে নেই। আপনার কোন ভবিষ্যতে নেই। যত মুখ বন্ধ রাখবেন ততই আপনার। মঙ্গল যত মুখ খুলবেন ততই এই রাজ্যের ক্ষেত্রে অশনি সংকেত। 

একুশে জুলাইয়ের আগের দিন কালীঘাট তৃণমূল অভিযোগ করে, তাদের সভামঞ্চ ভাঙা হয়। শুভেন্দু অধিকারী এদিন মমতাপন্থীদের একুশে জুলাইকেও তীব্র কটাক্ষ করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'সিপিকে বলেছিলাম তো ব্রিগেডে দিয়ে দিন। আমি রেডি ছিলাম যুবভারতী দেওয়ার জন্য, সরকারি বাস দেওয়ার জন্য।' মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষ, এবারে বাস, অডিটোরিয়াম কিছুই চাওয়া হয়নি। উল্লেখ্য, অন্যান্য বছরে, তৃণমূলের একুশে জুলাইয়ের আগের দিন থেকেই জেলা থেকে কাতারে কাতারে  মানুষ আসতেন। একাধিক জায়গায় তাঁদের রাত্রিবাসের ব্যবস্থা করত তৃণমূল সরকার।  প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'ওই বিকালবেলা চপ খেতে খেতে ফেসবুক করতে হবে। আপনি থাকুন ওখানে, আপনি ফেসবুক করতে থাকুন, আমরা এখানে কাজ করছি।'