আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজ্যে বিজেপি সরকার গত তিনমাসেই একগুচ্ছ নিয়ম এনেছে। লক্ষ্য যেমন সামাজিক সুরক্ষা লক্ষ্য পরিচ্ছন্ন পথঘাটও। রবিবার রাজ্যের মন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে দিলেন তা নিয়ে একপ্রকার।
রবিবার মন্ত্রী অগ্নিমিত্র পাল বলেন এবার থেকে আর রাস্তার ধারে ফেলে রাখা যাবে না বলি পাথর। তিনি জানান, বাড়ি বানানোর সময় রাস্তার মধ্যে স্টোন চিপস, বলি ইট ফেলে রাখলে শুরু হবে পেনাল্টি। সাফ কথা, একজনের বাড়ি বানাতে, অন্যদের অসুবিধেয় ফেলা যাবে না।
তিনি বলেন, 'বাড়ি বানাচ্ছেন, বাড়ির ভিতর জিনিসপত্র রাখুন। রাস্তা তাঁর নিজস্ব সম্পত্তি নয় যে ইট বলি ফেলে রাখা যাবে। একদম মানা যাবে না।'
সঙ্গেই আরও একটি বিষয় সাফ জানান, কেউ কোনও জায়গায় জমি কিনে রাখলে, সেই জায়গা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা তাঁর দায়িত্ব। বলেন, ' যেখানে যেখানে খালি জমি আছে, ৩০ বছর পর বাড়ি বানাব, এখন সেখানে ঝোপ-ঝাড় পুকুর হবে, এটা হবে না। একের জমির জন্য অন্যদের ভোগান্তি মেনে নেওয়া হবে না বলেও সাফ জানান তিনি। সম্প্রতি হকার উচ্ছেদ ঘিরে তোলপাড় হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। বাংলার একাধিক রেল স্টেশনে বুলডোজার দিয়ে দোকান ভাঙার ঘটনাকে ঘিরে হইচই পড়ে গিয়েছিল।
এরপর কয়েকদিন আগে কলকাতা পুরসভার তরফে সুকান্ত সেতু এবং শিয়ালদহ ফ্লাইওভারের নিচের দোকানগুলির কাছে উচ্ছেদের নোটিশ পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, সাতদিনের মধ্যে জায়গা খালি করে দিতে হবে। যদিও সেরকম কিছু ঘটেনি। তবে এবার রাজ্যে হকার উচ্ছেদ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল রাজ্য প্রশাসন। রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন রাজ্যের পুর এবং নগরোয়ন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি যেটা জানালেন, সেটা হকারদের কাছে একদিকে যেমন স্বস্তির বার্তা অন্যদিকে চিন্তায়ও রাখবে তাঁদের।
এদিন সাংবাদিকদের অগ্নিমিত্রা জানালেন, দুর্গাপুজো পর্যন্ত রাজ্যে কোনও হকার উচ্ছেদ করা হচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘দুর্গাপুজো পর্যন্ত কোনও হকার উচ্ছেদ করা হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ অর্থাৎ, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন তিনি।
তবে এর পাশাপাশি হকারদের সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি। জানিয়েছেন, ফুটপাথ দখল করে কোনওভাবেই ব্যবসা করা চলবে না। ইতিমধ্যেই ফুটপাথে দোকান বসানো নিয়ে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সেক্টর ফাইভে যে সমস্ত দোকান ছিল ফুটপাথে সেগুলোকে ভেঙে অপেক্ষাকৃত ছোট জায়গা করে ব্যবসা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অফিসপাড়ায় কোনওভাবেই আগুন জ্বালিয়ে দোকানে ব্যবসা করা যাবে না।
















