আজকাল ওয়েবডেস্ক: চুঁচুড়া স্টেশন রোডে একটি কোচিং সেন্টারে শ্লীলতাহানির শিকার তরুণী। পুলিশে অভিযোগ দায়ের হতেই আটক করা হল কোচিং সেন্টারের মালিককেও।

জানা গিয়েছে, টেলিফোন মারফত ডাক পেয়ে শুক্রবার চাকরির জন্য চুঁচুড়া স্টেশন রোডের কোচিং সেন্টারে ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিলেন ভদ্রেশ্বরের তরুণী। সঙ্গে ছিলেন তরুণীর মা। ইন্টারভিউ শেষে স্থির হয় যে, শনিবার থেকেই কাজে যোগ দেবেন তরুণী। রিসেপশনিস্টের কাজ করবেন তিনি।

সেইমতো শনিবার সকালে একাই কাজে যোগ দিতে আসেন ওই তরুণী। সংস্থার কর্ণধার শ্যামল দাস সেই সময় সেন্টারে একাই ছিলেন। অভিযোগ, তরুণীকে কাজ বুঝিয়ে দেওয়ার অছিলায় তাঁর শরীরে খারাপ স্পর্শ করতে শুরু করেন শ্যামল। এরপর ঘরের আলো নিভিয়ে ছিটকানি বন্ধ করে দিয়ে শ্লীলতাহানী করেন।

তরুণী ভয় পেয়ে কোনওমতে দরজার ছিটকানি খুলে দৌড়ে বেরিয়ে আসেন খালি পায়ে। ছুটতে ছুটতে চুঁচুড়া স্টেশনে পৌঁছে যান। এক টোটো চালকের সাহায্যে ওই এলাকার দুই মহিলাকে গোটা ঘটনা জানান। তাঁর ব্যাগ জুতো মোবাইল সব সেন্টারেই পরে ছিল। এরপর ওই মহিলারা নির্য়াতিতার বাড়িতে খবর দেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনা জানতে পেরে চড়াও হয় কোচিং সেন্টারে। অভিযুক্তকে মারধর করা হয়। পরে চুঁচুড়া থানার পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যায়। তরুণীর বাবা এসে চুঁচুড়া মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।