জয়ন্ত আচার্য্য ও সমীর দে,ঢাকা: ‘আমরা যখন জনগণের জন্য উন্নয়ন করি, তখন ওই বিএনপি-জামায়াত করে অগ্নিসন্ত্রাস। রেললাইনের ফিস প্লেট ফেলে দিয়ে, বগি ফেলে দিয়ে মানুষ হত্যার ফাঁদ পাতে। রেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। মা-সন্তানকে বুকে জড়িয়ে রেখেছে- এই অবস্থায় আগুনে পুড়ে কাঠ হয়ে গেছে। এই দৃশ্য পুরো বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিয়েছে। আসে আগুন, গাড়িতে আগুন, ঠিক ২০০১ সালে শুরু করেছিল। এরপর ১৩-১৪ একই ঘটনা ঘটায়। এখন আবার অগ্নিসন্ত্রাস শুরু করেছে। আমি ধিক্কার জানাই বিএনপি-জামায়াতকে।" নির্বাচনের আগে শুক্রবার বিকেলে বরিশালের বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভায় এমনই বার্তা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।
আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে নৌকা চিহ্নে ভোট দেওয়ার আহবান জানান তিনি। এদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুপুর ১টায় বরিশাল সার্কিট হাউজে পৌঁছান। এরপর বেলা ৩টায় বঙ্গবন্ধু উদ্যানের জনসভা মঞ্চে আসেন। নেতাকর্মীরা তাকে স্লোগানে স্লোগানে স্বাগত জানান। তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানাও সঙ্গে ছিলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি। এখন আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ছেলেমেয়েরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে। আধুনিক বিজ্ঞান-প্রযুক্তি শিখবে, দক্ষ জনশক্তি হবে। স্মার্ট দক্ষ জনশক্তি হিসেবে তাদের গড়ে তুলব। আমাদের সরকার ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্মার্ট সরকার হবে। আমাদের কৃষি যান্ত্রিকীকরণ হবে। আমাদের অর্থনীতি স্মার্ট অর্থনীতি হবে। স্মার্ট সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।’
তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমাদের ছাত্রছাত্রীদের বলব, মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে হবে। শিক্ষিত জাতি ছাড়া কোনও দেশ উন্নতি করতে পারে না, একথা মাথায় রাখতে হবে।’ বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য আমির হোসেন আমু ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও জাতীয় পার্টির জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, জলসম্পদ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম ও অন্যরা।
আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে নৌকা চিহ্নে ভোট দেওয়ার আহবান জানান তিনি। এদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুপুর ১টায় বরিশাল সার্কিট হাউজে পৌঁছান। এরপর বেলা ৩টায় বঙ্গবন্ধু উদ্যানের জনসভা মঞ্চে আসেন। নেতাকর্মীরা তাকে স্লোগানে স্লোগানে স্বাগত জানান। তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানাও সঙ্গে ছিলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি। এখন আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ছেলেমেয়েরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে। আধুনিক বিজ্ঞান-প্রযুক্তি শিখবে, দক্ষ জনশক্তি হবে। স্মার্ট দক্ষ জনশক্তি হিসেবে তাদের গড়ে তুলব। আমাদের সরকার ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্মার্ট সরকার হবে। আমাদের কৃষি যান্ত্রিকীকরণ হবে। আমাদের অর্থনীতি স্মার্ট অর্থনীতি হবে। স্মার্ট সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।’
তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমাদের ছাত্রছাত্রীদের বলব, মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে হবে। শিক্ষিত জাতি ছাড়া কোনও দেশ উন্নতি করতে পারে না, একথা মাথায় রাখতে হবে।’ বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য আমির হোসেন আমু ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও জাতীয় পার্টির জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, জলসম্পদ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম ও অন্যরা।
















