তীর্থঙ্কর দাস: বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমরা মিকি মাউস, ডোনাল্ড ডাক, ছোটা ভিম, পাতলু, এমনকি চার্লি চ্যাপলিনকেও দেখতে পাই। কতজন জানে এই কমিক চরিত্রদের মুখোশে যারা লুকিয়ে আছেন তাদের কষ্টের গল্প ? রোজ ঝড়-বৃষ্টি মানুষের কটু কথা শুনেও তারা মন দিয়ে মানুষকে বিনোদন দেন। আজকাল ডট ইন পৌঁছে গেল সেলিম আহমেদের বাড়ি যাকে সকলে চেনে সেলিম জোকারওয়ালা নামে।
কলকাতার রিপন স্ট্রিটে এক বস্তিতে থাকেন সেলিম আহমেদ। সংসারে স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি থাকেন। দিনে ১২ থেকে ১৩ ঘন্টা সেলিমকে এই পোশাকে থাকতে হয়। মানুষকে বিনোদন দেওয়ার বাইরে প্যান্ডেল তৈরির কাজ করে সেলিম।
১৯৯২ সালে কলকাতার এক নামকরা হোটেলে কাজ করার সময় সেই হোটেল ম্যানেজার তাঁকে বলেন নতুন কিছু করার কথা। বাড়িতে এসে তিনি সিদ্ধান্ত নেন কস্টিউম বানাবেন এবং নিজেই জোকার সেজে মানুষকে হাসাবেন। ১৯৯২ সালের এই ঘটনার পর থেকেই তার নাম হয়ে গিয়েছে "সেলিম জোকারওয়ালা"।
যুগের সঙ্গে নিজেকে বদলেছেন, জানালেন নিজেই। শুরু করেছিলেন জোকার সেজে, কিন্তু এখন সান্টাক্লজ থেকে শুরু করে ছোটা ভীম, মোটু-পাতলুর মতন বিভিন্ন কমিক চরিত্র সাজেন তিনি। পরিবারের লোকজনও এই কাজে সাহায্য করেন। সেলিমের দুই ভাগ্নে ফিরোজ আর নুর বিভিন্ন উৎসবে কমিক চরিত্রে নিজেদের সাজিয়ে তোলেন। সেলিমের স্বপ্ন, কলকাতার প্রতিটি মানুষ যেন সবসময় হাসিখুশি থাকে।
কলকাতার রিপন স্ট্রিটে এক বস্তিতে থাকেন সেলিম আহমেদ। সংসারে স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি থাকেন। দিনে ১২ থেকে ১৩ ঘন্টা সেলিমকে এই পোশাকে থাকতে হয়। মানুষকে বিনোদন দেওয়ার বাইরে প্যান্ডেল তৈরির কাজ করে সেলিম।
১৯৯২ সালে কলকাতার এক নামকরা হোটেলে কাজ করার সময় সেই হোটেল ম্যানেজার তাঁকে বলেন নতুন কিছু করার কথা। বাড়িতে এসে তিনি সিদ্ধান্ত নেন কস্টিউম বানাবেন এবং নিজেই জোকার সেজে মানুষকে হাসাবেন। ১৯৯২ সালের এই ঘটনার পর থেকেই তার নাম হয়ে গিয়েছে "সেলিম জোকারওয়ালা"।
যুগের সঙ্গে নিজেকে বদলেছেন, জানালেন নিজেই। শুরু করেছিলেন জোকার সেজে, কিন্তু এখন সান্টাক্লজ থেকে শুরু করে ছোটা ভীম, মোটু-পাতলুর মতন বিভিন্ন কমিক চরিত্র সাজেন তিনি। পরিবারের লোকজনও এই কাজে সাহায্য করেন। সেলিমের দুই ভাগ্নে ফিরোজ আর নুর বিভিন্ন উৎসবে কমিক চরিত্রে নিজেদের সাজিয়ে তোলেন। সেলিমের স্বপ্ন, কলকাতার প্রতিটি মানুষ যেন সবসময় হাসিখুশি থাকে।
















