ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সুন্দর একটা পৃথিবী গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের সকলের। তাই নিজেদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে রবীন্দ্রজয়ন্তীর সকালটা ছোটদের নিয়ে নতুনভাবে শুরু করছিলেন গায়িকা অদিতি মুন্সী। ‘নবজন্মের অঙ্গীকার’ করে এক সুন্দর সকালের সাক্ষী করলেন অনুরাগীদের।
গত কয়েক বছর ধরেই নানা ভাবে প্রকৃতি বুঝিয়ে দিচ্ছে, আমরা অর্থাৎ মানবজাতি ঠিক কতটা ভুল করে চলেছি প্রত্যেকটা দিন, প্রত্যেকটা মুহূর্তে। অত্যন্ত আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়ায় আমরা আসলে পরিবেশের ক্ষতির পাশাপাশি নিজেদের ক্ষতি করে চলেছি অনবরত। তারই ফলস্বরূপ এই বছর এক ভয়ঙ্কর গরমকালের সাক্ষী হয়ে থাকলেন প্রত্যেকে। গাছ কেটে একের পর এক ইট-কাঠ-পাথরের ইমারত বানানো, এসির ব্যবহার, প্রকৃতিকে নিজেদের মতো করে গড়ে তোলার চেষ্টা- এর জবাব প্রকৃতি নিজেই দিচ্ছে।
সেই কারণে রবীন্দ্রজয়ন্তীতে বৃক্ষরোপণ উৎসবের মাধ্যমে ভবিষ্যত প্রজন্মকে এক সুন্দর পৃথিবী উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার করলেন অদিতি মুন্সী।
গায়িকা-বিধায়কের ‘সঙ্গীতম’ কালচারাল অ্যাকাডেমি থেকে শুরু হয় যাত্রা। তবে শুধুই বৃক্ষরোপণ নয় এরপর গানে গানে পথচলা এবং বহু মানুষকে গাছের চারা প্রদান করা হয়। রবি ঠাকুরের গান ছাড়া রবীন্দ্রজয়ন্তী অসম্পূর্ণ। তাই এদিন রবীন্দ্রসঙ্গীত যেমন থাকল, তেমনই নতুন প্রজন্মের সঙ্গে একটা নতুন শুরু করলেন অদিতি মুন্সী। গায়িকার কথায়, ‘‘বাড়িতে বা পরিবারে থাকতে গেলে যেমন কিছু নিয়ম পালন করতে হয় তেমনই পরিবেশের জন্যও কিছু নিয়ম পালন করতে হয়। করিনি বলেই আজ আমরা ভুক্তভোগী। তাই আমাদের এলাকার বহু মানুষকে নিয়ে এবং ‘সঙ্গীত কালচারাল অ্যাকাডেমি’র সব সদস্য ও তাদের মা-বাবাদের নিয়ে একটু অন্যভাবে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করার চেষ্টা করলাম। বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি গাছের চারা তুলে দেওয়ার মাধ্যমে আসলে সকলের মধ্যেই দায়িত্ব ছড়িয়ে দিলাম।’’
অদিতির আশা, এইভাবে যদি সবাই এগিয়ে আসেন তাহলে প্রকৃতি নিশ্চয়ই আগের মত শান্ত হবে। সুন্দর পরিবেশে সুস্থ জীবন যাপন করতে পারব আমরা।
গত কয়েক বছর ধরেই নানা ভাবে প্রকৃতি বুঝিয়ে দিচ্ছে, আমরা অর্থাৎ মানবজাতি ঠিক কতটা ভুল করে চলেছি প্রত্যেকটা দিন, প্রত্যেকটা মুহূর্তে। অত্যন্ত আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়ায় আমরা আসলে পরিবেশের ক্ষতির পাশাপাশি নিজেদের ক্ষতি করে চলেছি অনবরত। তারই ফলস্বরূপ এই বছর এক ভয়ঙ্কর গরমকালের সাক্ষী হয়ে থাকলেন প্রত্যেকে। গাছ কেটে একের পর এক ইট-কাঠ-পাথরের ইমারত বানানো, এসির ব্যবহার, প্রকৃতিকে নিজেদের মতো করে গড়ে তোলার চেষ্টা- এর জবাব প্রকৃতি নিজেই দিচ্ছে।
সেই কারণে রবীন্দ্রজয়ন্তীতে বৃক্ষরোপণ উৎসবের মাধ্যমে ভবিষ্যত প্রজন্মকে এক সুন্দর পৃথিবী উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার করলেন অদিতি মুন্সী।
গায়িকা-বিধায়কের ‘সঙ্গীতম’ কালচারাল অ্যাকাডেমি থেকে শুরু হয় যাত্রা। তবে শুধুই বৃক্ষরোপণ নয় এরপর গানে গানে পথচলা এবং বহু মানুষকে গাছের চারা প্রদান করা হয়। রবি ঠাকুরের গান ছাড়া রবীন্দ্রজয়ন্তী অসম্পূর্ণ। তাই এদিন রবীন্দ্রসঙ্গীত যেমন থাকল, তেমনই নতুন প্রজন্মের সঙ্গে একটা নতুন শুরু করলেন অদিতি মুন্সী। গায়িকার কথায়, ‘‘বাড়িতে বা পরিবারে থাকতে গেলে যেমন কিছু নিয়ম পালন করতে হয় তেমনই পরিবেশের জন্যও কিছু নিয়ম পালন করতে হয়। করিনি বলেই আজ আমরা ভুক্তভোগী। তাই আমাদের এলাকার বহু মানুষকে নিয়ে এবং ‘সঙ্গীত কালচারাল অ্যাকাডেমি’র সব সদস্য ও তাদের মা-বাবাদের নিয়ে একটু অন্যভাবে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করার চেষ্টা করলাম। বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি গাছের চারা তুলে দেওয়ার মাধ্যমে আসলে সকলের মধ্যেই দায়িত্ব ছড়িয়ে দিলাম।’’
অদিতির আশা, এইভাবে যদি সবাই এগিয়ে আসেন তাহলে প্রকৃতি নিশ্চয়ই আগের মত শান্ত হবে। সুন্দর পরিবেশে সুস্থ জীবন যাপন করতে পারব আমরা।
















