আজকাল ওয়েবডেস্ক: ডুরান্ড কাপের উদ্বোধনী মানেই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। গত কয়েক বছর ধরে সেটাই দেখা গিয়েছে। কিন্তু ১৩৫তম ডুরান্ড কাপের ওপেনিং সেরেমোনি ফিকে। আসার কথা থাকলেও, শেষপর্যন্ত আসেননি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বলে শট মেরে টুর্নামেন্টের সূচনা করেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। ছিলেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। বিকেল ৪টে ১৭ মিনিটে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। প্রায় ৩৫ মিনিটের অনুষ্ঠান। আগের বছরের মতো এবারও ছিল 'ফ্লাইপাস্ট'। অর্থাৎ, এয়ার শো। সেনার চারটে হেলিকপ্টার যুবভারতীর আকাশের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। ডুরান্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ এটাই। এছাড়াও ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 

সেনাবাহিনীর বিভিন্ন শাখার সদস্যরা পারফর্ম করে। গোর্খা রেজিমেন্টের কুকরি, খালসা দিয়ে শুরু। শিখ রেজিমেন্টের 'ভাঙরা' থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ রেজিমেন্টের রবীন্দ্রনৃত্য। আমার মুক্তি আলোয় আলোয়, ধনধান্যে পুষ্পে ভরা, গ্রাম ছাড়া রাঙামাটির পথ-এর তালে তালে নৃত্য পরিবেশনা করে বেঙ্গল রেজিমেন্ট। এছাড়াও ছিল অসম রেজিমেন্টের ছোউ, মারাঠা লোকনৃত্য সহ নানান ধরনের নৃত্য পরিবেশনা। ছিল মার্শাল আর্টসের শোও। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর অনুরোধে এবার স্থানীয় সংস্কৃতির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গলের প্লেয়ারদের সঙ্গে পরিচিত হন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ এবং শিল্পমন্ত্রী পার্থ রায়। তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সেরকম জমজমাট না হলে, দুটো দৃষ্টান্ত সৃষ্টি হল এবার। কলকাতায় এই প্রথম পেপারলেস টিকিট এবং যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে পর্যাপ্ত জলের ব্যবস্থা। স্টেডিয়ামের প্রত্যেক র‍্যাম্পের বাইরে ছিল জলের ব্যবস্থা।