বছর শেষে প্রকৃতির তাণ্ডব! বুক কাঁপানো পূর্বাভাস ইসরোর। বছরের শেষ তিন মাসে পরপর শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা। পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতে কতটা প্রভাব পড়বে? যা ঘিরেও আশঙ্কা আরও বাড়ছে।
2
8
বর্ষা-পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা এবার প্রবল। বিজ্ঞানীদের ভবিষ্যদ্বাণী, আগামী অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত একের পর এক ভয়ঙ্কর শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে পারে।
3
8
এই ঘূর্ণিঝড় গত ৪৪ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হতে পারে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তৈরি হতে পারে এই তিনটি ঘূর্ণিঝড়।
4
8
ইসরোর স্পেস অ্যাপ্লিকেশনস সেন্টার একটি গ্রাফ প্রকাশ করেছে। বর্ষা-পরবর্তী মরশুমে এই তিনটি ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় তৈরির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে এরপর। যার ধ্বংস ক্ষমতাও আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে।
5
8
এই তিন মাসে বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগর, দুই অঞ্চলেই নজরে থাকবে আবহাওয়াবিদদের। বঙ্গোপসাগরে কোনও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে, পশ্চিমবঙ্গ, ওডিশা, অন্ধ্রপ্রদেশ কিংবা তামিলনাড়ুর উপকূলে তার প্রভাব পড়তে পারে। আবার আরব সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পশ্চিম উপকূলের ধ্বংসলীলা চলতে পারে। তবে এখনও কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি। ঘূর্ণিঝড় কবে তৈরি হবে, গতিপথ কোনদিকে, তাও জানা যায়নি।
6
8
অক্টোবরে বর্ষার প্রভাব কমে এলে, বর্ষা-পরবর্তীকালে জলবায়ুর পরিবর্তনে বঙ্গোপসাগরের পরিবেশ আবার ঘূর্ণিঝড় তৈরির জন্য অনুকূল হয়ে উঠতে পারে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বর্ষার দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সরে যাওয়ার পর সমুদ্রের উপরিভাগের উষ্ণতা, বাতাসের গতিপ্রকৃতি এবং বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন পরিস্থিতি মিলিয়ে ঘূর্ণিঝড় তৈরির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হতে পারে।
7
8
পিডিআই-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত, গত ৪৪ বছরে উত্তর ভারত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি গড়ে একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় ছিল। ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে যদি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়, তা গত ৪৪ বছরের গড়ের তুলনায় প্রায় ৮৩ শতাংশ বেশি শক্তিশালী হতে পারে।
8
8
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৯৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ৩০ বছরে উত্তর ভারত মহাসাগরে মোট ২৬৬টি ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় নথিভুক্ত করা হয়েছিল। যদিও সবগুলি ভারতের ওপর আছড়ে পড়েনি। কিন্তু চলতি বছরে তিনটি ঘূর্ণিঝড় আদৌ ভারতের ওপর কতটা প্রভাব ফেলবে, তার দিকেই আবহাওয়াবিদদের নজর এই মুহূর্তে।