আজকাল ওয়েবডেস্ক: কালি বলতেই স্বাভাবিকভাবে মনে আসে নীল রং। কালোও ভাবা যেতে পারে। কিন্তু সবুজ মেরুন, লাল হলুদ, সাদা কালির কথা কী কেউ ভেবেছিল! এবার কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবের উদ্যোগে বাজারে এল মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহমেডান স্পোর্টিংয়ের জার্সির রংয়ের কালি। বাংলা মানেই ফুটবল। আর বাঙালি মানেই আবেগ। বাঙালির সেই আবেগকে ছড়িয়ে দিতে সুলেখার সঙ্গে হাত মেলাল সিএসজেসি। মঙ্গলবার ক্লাবের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা দিবসে বাজারে আনা হল সবুজ মেরুন, লাল হলুদ এবং সাদা কালো কালি।
এবার থেকে মোট ছয় রংয়ের কালি পাওয়া যাবে। এই কালির নাম রাখা হয়েছে "আবেগ"। এদিন ক্লাবের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে এই অভিনব ঘোষণা করা হয়। প্রথমে কেক কেটে দিনটি উদযাপনের পর উদ্বোধন হল ছয় রংয়ের কালি ও ঝর্না পেনের। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন তিন প্রধানের কর্তা দেবাশিস দত্ত, দেবব্রত সরকার এবং ইস্তিয়াক আহমেদ। ছিলেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত, দুই সহ সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস ও সৌরভ পাল এবং প্রাক্তন সচিব জয়দীপ মুখার্জি। উৎসবে সামিল হন ইস্ট-মোহনে খেলা দুই প্রাক্তন ফুটবলার গৌতম সরকার এবং প্রশান্ত ব্যানার্জি। এছাড়াও ছিলেন সুলেখার কর্ণধার কৌশিক মিত্র, শুভব্রত গঙ্গোপাধ্যায়, বানিয়ন গ্রুপের কর্ণধার প্রবীর রায়চৌধুরী। বঙ্গ ফুটবলের আবেগকে সম্মান জানাতেই এই অভিনব উদ্যোগ।
মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত বলেন, "তিনটে ক্লাব আইএসএল খেলতে পারলে "আবেগ"কে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। বাংলার ফুটবল মোটেই খারাপ জায়গায় নেই। ডার্বিকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ফুটবল। এটাই ভারতীয় ফুটবলের আসল বিজ্ঞাপন। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহমেডান, তিন ক্লাবই নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে চলেছে। এখন হাতে চিঠি লেখা হয় না। তবে আশা করব সবুজ মেরুন কালি মানুষের কাছে পৌঁছবে। আবেগ কাজ করবে।" ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, "বাংলা কখনওই পিছিয়ে থাকবে না। আমাদের সবার আগে দরকার বাণিজ্যিকরণ। আমরা সব সময় সিএসজেসির পাশে আছি।" নতুন বছরের ট্রান্সফার উইন্ডোতে দু"জন বিদেশিকে বদলানোর কথাও জানান লাল হলুদের শীর্ষকর্তা। মহমেডান সচিব ইস্তিয়াক আহমেদ জানান, "এই কালির মাধ্যমে তিন বড় প্রধানের কীর্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। কালো কালি দিয়ে খারাপ কিছু লেখা হলে, সেটা আমাদের সাদা কালি দিয়ে মুছে ফেলা হবে।" আইএফএ সচিব বাংলার ফুটবলে দাপট ফিরিয়ে আনার উল্লেখ করেন। অনির্বাণ দত্ত বলেন, "আশা করব একদিন তিন প্রধানের প্রথম একাদশের এগারো জনই বাঙালি হবে।" সিএসজেসির সভাপতি সুভেন রাহা জানান, কালি বিক্রির অর্থ সুন্দরবনের কানমারি অ্যাকাডেমির উন্নতিতে কাজে লাগানো হবে।
এবার থেকে মোট ছয় রংয়ের কালি পাওয়া যাবে। এই কালির নাম রাখা হয়েছে "আবেগ"। এদিন ক্লাবের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে এই অভিনব ঘোষণা করা হয়। প্রথমে কেক কেটে দিনটি উদযাপনের পর উদ্বোধন হল ছয় রংয়ের কালি ও ঝর্না পেনের। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন তিন প্রধানের কর্তা দেবাশিস দত্ত, দেবব্রত সরকার এবং ইস্তিয়াক আহমেদ। ছিলেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত, দুই সহ সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস ও সৌরভ পাল এবং প্রাক্তন সচিব জয়দীপ মুখার্জি। উৎসবে সামিল হন ইস্ট-মোহনে খেলা দুই প্রাক্তন ফুটবলার গৌতম সরকার এবং প্রশান্ত ব্যানার্জি। এছাড়াও ছিলেন সুলেখার কর্ণধার কৌশিক মিত্র, শুভব্রত গঙ্গোপাধ্যায়, বানিয়ন গ্রুপের কর্ণধার প্রবীর রায়চৌধুরী। বঙ্গ ফুটবলের আবেগকে সম্মান জানাতেই এই অভিনব উদ্যোগ।
মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত বলেন, "তিনটে ক্লাব আইএসএল খেলতে পারলে "আবেগ"কে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। বাংলার ফুটবল মোটেই খারাপ জায়গায় নেই। ডার্বিকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ফুটবল। এটাই ভারতীয় ফুটবলের আসল বিজ্ঞাপন। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহমেডান, তিন ক্লাবই নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে চলেছে। এখন হাতে চিঠি লেখা হয় না। তবে আশা করব সবুজ মেরুন কালি মানুষের কাছে পৌঁছবে। আবেগ কাজ করবে।" ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, "বাংলা কখনওই পিছিয়ে থাকবে না। আমাদের সবার আগে দরকার বাণিজ্যিকরণ। আমরা সব সময় সিএসজেসির পাশে আছি।" নতুন বছরের ট্রান্সফার উইন্ডোতে দু"জন বিদেশিকে বদলানোর কথাও জানান লাল হলুদের শীর্ষকর্তা। মহমেডান সচিব ইস্তিয়াক আহমেদ জানান, "এই কালির মাধ্যমে তিন বড় প্রধানের কীর্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। কালো কালি দিয়ে খারাপ কিছু লেখা হলে, সেটা আমাদের সাদা কালি দিয়ে মুছে ফেলা হবে।" আইএফএ সচিব বাংলার ফুটবলে দাপট ফিরিয়ে আনার উল্লেখ করেন। অনির্বাণ দত্ত বলেন, "আশা করব একদিন তিন প্রধানের প্রথম একাদশের এগারো জনই বাঙালি হবে।" সিএসজেসির সভাপতি সুভেন রাহা জানান, কালি বিক্রির অর্থ সুন্দরবনের কানমারি অ্যাকাডেমির উন্নতিতে কাজে লাগানো হবে।
















