আজকাল ওয়েবডেস্ক: অভিষেক টেস্টে তাঁর ঘূর্ণিতে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে ভারত। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র টেস্ট ৩০০ রান সহ এক ইনিংসে জেতে টিম ইন্ডিয়া। শুরুতেই সাফল্যের রহস্য কী? মানব সুথার জানান, ধৈর্য এবং ধারাবাহিকতা লাল বলের ক্রিকেটে সাফল্যের চাবিকাঠি। সাত উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হন। তারমধ্যে প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট। টেস্টে ভারতের সবচেয়ে বড় জয়। ম্যাচ সেরার পুরস্কার পাওয়ার পর সুথার বলেন, 'দারুণ অনুভূতি। নিজেকে টপ অফ ওয়ার্ল্ডে মনে হচ্ছে। ব্যাট করতে নেমে প্রথম কয়েকটা বল খেলার পর ধীরে ধীরে মানিয়ে নিই। প্রথম ওভার বল করার সময়, আমি একই লেন্থ এবং লাইন বজায় রাখার চেষ্টা করি।'
তিনি যতটা ভেবেছিলেন, তার থেকেও মন্থর পিচ। তাই দ্রুত উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়। জানান ম্যাচের সেরা। মানব বলেন, 'আমি নিজের স্টক ডেলিভারি করার চেষ্টা করি। কিন্তু বুঝতে পারি, পিচ কিছুটা মন্থর। তাই আরও পরিশ্রম করতে হয়।' সুথার মনে করেন, নৈপুণ্য এবং ধৈর্য গুরুত্বপূর্ণ। এটাই টেস্টে সাফল্যের ফাউন্ডেশন। তিনি বলেন, 'একই জায়গায় বল করে যেতে হয়। টেস্ট ক্রিকেট ধৈর্যের খেলা। আশা করছি আমি বোলিংয়ে ধারাবাহিকতা দেখাতে পারব।'
টেস্ট অভিষেকে ছয় উইকেট নিয়ে বিশেষ ক্লাবে প্রবেশ করলেন সুথার। এর আগে এই তালিকায় ছিলেন নরেন্দ্র হিরওয়ানি, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, দিলীপ দোশী এবং সৈয়দ আবিদ আলি। টেস্ট অভিষেকে দশম ভারতীয় হিসেবে পাঁচ উইকেট নেওয়ার নজির গড়লেন। স্পিনারদের মধ্যে পঞ্চম। ২০১১ সালে দিল্লিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে অভিষেক টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৭ রানে ৬ উইকেট নেন।
















