আজকাল ওয়েবডেস্ক: চলে গেলেন যশপাল রানা। মাত্র ৪৯ বছর বয়সে প্রয়াত মানু ভাকেরের কোচ। দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রাক্তন শুটার। হাসপাতাল সূত্রের খবর, অস্ত্রোপচার করে স্টেন্ট বসেছিল তাঁর। জার্মানির মিউনিখে আইএসএসএফ বিশ্বকাপে বুকে ব্যথা অনুভব করেন যশপাল রানা। ভারতে ফেরার সময় বিমানের মধ্যেও অসুস্থ হয়ে পড়েন। বুকে ব্যথা হয়। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট কালি নারায়ণ সিং দেও জানান, বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শুটিং কিংবদন্তি। 

হৃদযন্ত্রে ব্লকেজ ছিল। মানু ভাকেরের কোচকে পরীক্ষা করার পর স্টেন্ট বসানো হয়। কয়েকদিনের মধ্যে দ্বিতীয় স্টেন্ট বসানোর কথা। হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, যশপাল স্থিতিশীল। সুস্থতার পথে। কিন্তু আচমকা তাঁর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। কয়েকদিন আগে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর যশপালের ভাই সুভাষ রানা বলেন, 'জার্মানির মিউনিখে আইএসএসএফ বিশ্বকাপ চলাকালীন বুকে ব্যথা অনুভব করেন। ধরে নেয় বদহজম হয়েছে। ট্রাভেল পরিকল্পনা অব্যাহত রাখেন। কিন্তু ভারতে ফেরার সময় বিমানে আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। দিল্লিতে নামার সঙ্গে সঙ্গেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।' 

নিজের জমানায় শুটিংয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে একের পর এক পদক জেতেন কিংবদন্তি। ম্যানু ভাকেরের উত্থানের পেছনে তাঁর অবদান রয়েছে। রানার কোচিংয়ে প্যারিস অলিম্পিকে জোড়া পদক জেতেন মানু। কমনওয়েলথ গেমসের ইতিহাসে অন্যতম সফল ভারতীয় অ্যাথলিট যশপাল রানা। ২০০৬ দোহা এশিয়ান গেমসে তিনটে সোনা পান। ২৫ মিটার সেন্টার ফায়ার পিস্তলে রেকর্ড করেন। ১৯৯৪ মিলান ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপের জুনিয়র ক্যাটাগরিতে সোনার পদক জেতেন। মাত্র ১৮ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আবির্ভাব হয়। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অকালেই চলে গেলেন মানুর কোচ।