আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২০২৬ সালে কোন কোন ক্রীড়াবিদের ডোপ পরীক্ষা করা হবে সেই তালিকা সদ্য প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি (নাডা)। তালিকায় ১৪ জন ক্রিকেটার সহ ৩৪৭ জনের নাম রয়েছে। বছরের যে কোনও সময় এই ক্রীড়াবিদদের ডোপ পরীক্ষার জন্য ডাকা হতে পারে। তার পরই দেশের এক ক্রিকেটার ধরা পড়ে গেলেন ডোপ পরীক্ষায়। তাঁর তিনটি আলাদা নমুনা পরীক্ষাতেই নিষিদ্ধ ড্রাগের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গেছে, উত্তরাখণ্ডের বাঁহাতি জোরে বোলার রাজন কুমারের নমুনা পরীক্ষার পরে নিষিদ্ধ ড্রাগের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে। সোমবার বিকেলে রাজনের ডোপ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছে নাডা কর্তৃপক্ষ। উত্তরাখণ্ডের হয়ে গত সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে শেষ খেলেছেন। গত ৮ ডিসেম্বর দিল্লির বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। সে সময় তাঁর ডোপ পরীক্ষা হয়। রাজনকে সাময়িক ভাবে সাসপেন্ড করেছে নাডা। আরও কঠিন শাস্তি হতে পারে তাঁর।
পিটিআই সূত্রে খবর, ২৯ বছরের বাঁহাতি জোরে বোলারের নমুনায় দু’রকম নিষিদ্ধ ড্রাগ পাওয়া গিয়েছে। যেগুলি হল অ্যানাবলিক স্টেরয়েড ড্রোস্টানোলোন এবং মেটেনোলোন। এমনকী পাওয়া গিয়েছে ক্লোমিফেনও। পুরুষদের টেস্টোটেরনের মাত্রা বৃদ্ধিতে সহায়ক এই ক্লোমিফেন। অভিযুক্ত রাজনের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থাও এই ব্যাপারে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানায়নি।
প্রসঙ্গত, ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে নিষিদ্ধ শক্তি বর্ধক ওষুধ ব্যবহারের প্রবণতা খুব একটা নেই। এর আগে ২০১৯ সালে ডোপ পরীক্ষায় ধরা পড়েছিলেন পৃথ্বী শ। অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছিলেন ভারতীয় দলের ব্যাটার। তিনি আট মাসের জন্য সাসপেন্ডও হয়েছিলেন। ২০২০ সালে ডোপ পরীক্ষায় ধরা পড়েন মধ্যপ্রদেশের অলরাউন্ডার অনশুলা রাও।
এটা ঘটনা, ২০২৬ সালে এশিয়ান গেমস এবং কমনওয়েলথ গেমস রয়েছে। রয়েছে টি–২০ বিশ্বকাপ। ২০৩০ সালে কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক ভারত। ২০৩৬ সালে অলিম্পিক্সও আয়োজন করতে চায় ভারত। তাই ডোপ পরীক্ষা আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে নাডা এবং কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক। যে ক্রীড়াবিদদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তাতে ভারতীয় মহিলা দলের একাধিক ক্রিকেটারও রয়েছেন। এমনকী টিম ইন্ডিয়ার একাধিক ক্রিকেটারেরও যে কোনও সময় ডোপ পরীক্ষা করা হবে।
