আজকাল ওয়েবডেস্ক: মোহনবাগানের নতুন কোচ প্যানাজিওটিস ডিলেম্পেরিসের কাছে এটি ছিল প্রথম কলকাতা ডার্বি।
অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গলের কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের ডার্বির অভিজ্ঞতা অনেক পুরনো। তবে এবার তিনি জার্সির রং বদলে লাল-হলুদ শিবিরের দায়িত্বে। ভারতীয় ফুটবলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচিত এই স্প্যানিশ কোচের শুরুটা অবশ্য হার দিয়েই হল লাল-হলুদে। ডার্বিতে এই প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেলেন অভিজ্ঞ হাবাস।
ফুটবল মহলের মতে, হাবাস জানেন কীভাবে দলকে ট্রফি জেতাতে হয়। তবে তাঁর জাদু দেখতে হলে সময় দিতে হবে। কারণ, ডার্বির আগে মাত্র দু'দিন দলের সঙ্গে অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। এত কম সময়ে সব ফুটবলারকে ভালোভাবে চেনা বা দলের মধ্যে বোঝাপড়া গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। তবুও তাঁকে সরাসরি নেমে পড়তে হয়েছে মর্যাদার এই ম্যাচে।
ম্যাচ শেষে দুই দলের কোচকে কিছুক্ষণ কথা বলতে দেখা যায়। পরে জানা যায়, আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল শুভাশিস বোসের একটি ফাউল। হাবাস মোহনবাগান কোচ প্যানাজিওটিস ডিলেম্পেরিসকে বলেন, এডমুন্ডকে টেনে ফেলার ঘটনায় শুভাশিস বোসের লাল কার্ড দেখা উচিত ছিল। কিন্তু রেফারি তাঁকে শুধুমাত্র হলুদ কার্ড দেখান। সাংবাদিক বৈঠকেও হাবাস একই অভিযোগ তুলে ধরেন।
এর জবাবে ডিলেম্পেরিস জানান, শুভাশিসের পিছনে আরও একজন ডিফেন্ডার কভারে ছিলেন। ফলে লাল কার্ড কোনওভাবেই নয়। হাবাসের যুক্তির সঙ্গে একমত হননি মোহনবাগান কোচ।
অন্যদিকে, ম্যাচ শেষে প্রাক্তন ফুটবলার বিকাশ পাঁজি হাবাসের বক্তব্যকে সমর্থন করেন। তাঁর মতে, ঘটনাটি ছিল স্পষ্ট গোলের সুযোগ নষ্ট করার মতো পরিস্থিতি। তাই শুভাশিস বোসের লাল কার্ড দেখা উচিত ছিল। বিকাশের কথায়, "গোলবাউন্ড মুভ ছিল। অধিকাংশই বলবে, ওটা রেড কার্ড। শুধু রেফারিই সেটা দেখতে পাননি।"
হাবাসের হাতে খুব কম সময় থাকার বিষয়েও মন্তব্য করেন বিকাশ। তাঁর মতে, মাত্র দু'দিনের অনুশীলনের পর এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলানো আদর্শ পরিস্থিতি নয়। তিনি বলেন, "আমি একে ডার্বি না বলে এক্সিবিশন ম্যাচ বলব। অন্তত ১০ থেকে ১৫ দিনের অনুশীলনের সুযোগ থাকলে দলগত বোঝাপড়া তৈরি হত, আর ম্যাচের মানও অনেক ভালো হতো।"
















