আজকাল অনিয়মিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত দূষণ সহ একাধিক কারণে বেড়েছে চুলের হাজার সমস্যা। আর সেই সমস্যা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে যদি স্নানের জলে আয়রন বেশি থাকে। আয়রন চুলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কলের জল যদি ‘হার্ড’ বা খনিজ সমৃদ্ধ হয়, তাহলে তো চুল পড়বেই। তাই আয়রনযুক্ত জল ব্যবহার করলে বিশেষভাবে চুলের যত্ন নেওয়া জরুরি।
•    স্নান করার জন্য ব্যবহৃত জলের লাইন বা শাওয়ারে ওয়াটার ফিল্টার লাগাতে পারেন। এতে জলে অতিরিক্ত আয়রন, ক্লোরিন এবং অন্যান্য ধাতব উপাদান থাকলে তা অনেকটাই ছেঁকে বেরিয়ে যাবে। তবে ফিল্টার মাঝেমধ্যেই পরিষ্কার করাতে হবে না হলে আয়রন বা খনিজের স্তর জমা হতে হতে কল বা শাওয়ারের মুখ বন্ধ হয়ে যাবে।
•    শ্যাম্পু করার পর অবশ্যই কন্ডিশনার লাগান। আয়রনযুক্ত জল চুলের আর্দ্রতা শুষে নেয়, তাই নিয়মিত কন্ডিশনিং করা জরুরি। চাইলে শ্যাম্পু না দিলেও চুলে জল দেওয়ার পর হালকা কন্ডিশনার লাগাতে পারেন।
•    নিয়মিত চুলে অয়েল ম্যাসাজ করতে পারেন। নারকেল তেল, অলিভ অয়েল বা আমন্ড অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করলে উপকার পাবেন। তেল মাখার পর অন্তত এক ঘণ্টা রাখুন। তারপর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
•    হেয়ার ক্লেনজিং মাস্ক ব্যবহার করুন। সপ্তাহে অন্তত একবার চুলে ক্লেনজিং মাস্ক লাগান।এতে চুল রুক্ষ শুষ্ক হওয়া থেকে রক্ষা পাবেন। যদি কোঁকড়া চুল হয়, তাহলে ভাল কন্ডিশনার এবং সিরাম লাগানোর পাশাপাশি হেয়ার মাস্ক লাগাতে ভুলবেন না। 
 
•    সালফেট-ফ্রি শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। সাধারণ শ্যাম্পুর বদলে সালফেট ও প্যারাবেনমুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। এটি চুলের স্বাভাবিক তেল ও আর্দ্রতা বজায় রাখে। চুল তৈলাক্ত হলে এক দিন অন্তর শ্যাম্পু করুন। 
•     স্নানের পর শেষবার চুল ধোয়ার সময় এক কাপ জলে এক চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে চুল ধুয়ে নিন। এটি চুলের পিএইচ ব্যালান্স ঠিক থাকবে এবং আয়রনের জন্য ক্ষতি হবে না।