বিউ সরকার: সরাসরি মানুষের সমস্যা শুনছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বহু মানুষ, ভিন্ন ধরনের সমস্যার কথা জানিয়ে জনতার দরবারে হাজির হন। বৃহস্পতিবারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ফের বাড়ি জবরদখলের অভিযোগ নিয়ে হাজির হলেন মনোহর পুকুর রোডের কিরণ গুপ্তা। অভিযোগের তীর তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের দিকে।
বৃহস্পতিবার ২১/জিএম মনোহর পুকুর রোড এর বাসিন্দা কিরণ গুপ্তা জনতার দরবারে হাজির হয়ে তাঁর পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের অভিযোগ জানান। বিচার চেয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে পৌঁছন তিনি। কিরণ গুপ্তর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে প্রাক্তন বিধায়ক তথা কাউন্সিলর দেবাশিষ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরে মনোহর পুকুর রোডে তাঁর শ্বশুর বাড়ির সম্পত্তি দখল করেছেন। সেখানে বহুতল তৈরি করেছেন।
অভিযোগকারীরা পাঞ্জাবে থাকেন। কলকাতার ওই বাড়িতে তাঁর এক আত্মীয় থাকতেন। অভিযোগ, তাঁকে মারধর করে, জোর করে, ওই বাড়ি দখল করে নেওয়া হয়েছে। ১০-১৫ বছর ধরে তিনি এই সমস্যা নিয়ে নানা জায়গায় গিয়েছেন। যদিও সুরাহা হয়নি। তারপরেই, বৃহস্পতিবার 'বাধ্য' হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আসেন তাঁরা।
এর আগে, ২৫ মে, জয় কামদারের প্রতারণার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে মুখ্যমন্ত্রীর 'জনতার দরবার'-এ হাজির হয়েছিলেন ভবানীপুরের ৮১ বছরের বৃদ্ধ। প্রোমোটারির নামে জমি হাতিয়ে আর ফ্ল্যাট দেওয়া হয়নি বৃদ্ধকে, অভিযোগ ছিল তেমনটাই। বার বার বলেও লাভ হয়নি। উল্টে, ব্যবসায়ী জয় কামদার তাঁকে কীভাবে বন্দুর বার করে ভয় দেখিয়ে ফ্ল্যাট না দেওয়ার চেষ্টা করে গিয়েছেন সেই অভিযোগই শুভেন্দু অধিকারী সামনে তুলে ধরেন।
তিনি জানিয়েছিলেন, ' আমার বাড়ি ভবানীপুরের টাউনসেন্ড রোডে। আমরা আমাদের পৈতৃক ভিটে প্রমোটারকে দিয়েছিলাম। চেয়েছিলাম ফ্ল্যাট দেবে আমাদের। প্রমোটার যে বিক্যাত শয়তান জয় কামদার বুঝতে পারিনি। আর ছিলেন, পুলিশ অফিসার শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ও সোনা পাপ্পুও। ওরা আমাদের সুন্দর করে বুঝিয়ে জমি নিয়েছিল। সব লিখিতও ছিল। কিন্তু, ফ্ল্যাট আর পাইনি। যতবারই গিয়েছি জয় কামদার অফিসে সে আর দেওয়ার গা করেননি। শেষে বন্দু দেখিয়েছিল। আমাকে হুমকি দেওয়া হয় যাতে আমি আর ফ্ল্যাট না চাই। আমাদের থেকে ১৭ লাখ টাকাও দাবি করে।'
















