আজকাল ওয়েবডেস্ক: রবিবার ঋতব্রত নিজেই পড়ে শুনিয়েছেন আলিপুর আদালতের নির্দেশ। অন্যদিকে ২১ জুলাইয়ের পুলিশি অনুমতিও মিলেছে। এসবের মাঝেই সোমবার সকালে লালবাজারে হাজির হন বিধায়ক। সোমবার তাঁর গান্ধী মূর্তির পাদদেশে, ২১ জুলাইয়ের সমাবেশস্থল খতিয়ে দেখতে যাওয়ার কথা ছিল। তার আগে কেন লালবাজারে? ঋতব্রত জানিয়েছেন, ২১ জুলাই এবং গান্ধীমূর্তির পাদদেশ সম্পর্কিত বেশকিছু বিষয়ে কথা বলার জন্যই তিনি সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। 

 

এর আগে, রবিবার ঋতব্রত জানান, আদালত জানিয়েছে, অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসই একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস। শহরের বহুল পরিচিত হোটেলে ২২ জুন যে ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি তৈরি হয়েছিল, সেটাই একমাত্র আইনগতভাবে স্বীকৃত বডি। অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন যে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস এছাড়া অন্য কেউ তৃণমূল কংগ্রেস  বলে দাবি করেন, সেটা অবৈধ। এই তৃণমূল কংগ্রেস একমাত্র। আদালতের রায় পড়ে বোঝালেন, অন্য কেউ আর চাইলেই নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেস বলে দাবি করতে পারবেন না, দলীয় কার্যালয়-তহবিল সংক্রান্ত কোনও কিছুই করতে পারবেন না অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নামে। ঋতব্রতর সাফ হুঁশিয়ারি, 'মগের মুলুক চলবে না।'

 

উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক জানান,  'রায়ে পরিষ্কারভাবে বলেছে, গত ২২ জুন জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের ভিত্তিতে যে ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি তৈরি হয়েছিল, সেটাই একমাত্র আইনগত স্বীকৃত বডি।' সঙ্গেই বলেন, 'কেউ যদি দাবি করেন, তিনি তৃণমূল কংগ্রেস, আমি আসল-নকল বিতর্কের মধ্যে না গিয়ে, আদালতের এই রায় দেখে নিতে বলব।' তাঁর সংযোজন, 'এই কমিটি বাইরে অন্য কেউ নিজেদের তৃণমূল বলে দাবি করলে সেটা অবৈধ। এই তৃণমূল কংগ্রেসই হচ্ছে একমাত্র।' শুধু এটুকুই নয়। ঋতব্রত বলেন, 'এই কমিটি বাদে আর কেউ যদি তাদের নিজেদের কমিটি মেম্বার বলে দাবি করেন তাহলে একাধিক বিষয় থেকে দূরে থাকতে বলা হচ্ছে, যেমন- দল চালানোর জন্য কোনও মতামত প্রকাশ, দলের নাম করে কোনও নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন না।'