আজকাল ওয়েবডেস্ক: তারাতলা গুদাম ধসের ৭২ ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে যাঁরা আটকে পড়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন বিহারের বাসিন্দা মানিক চাঁদ রাও। তারাতলা গুদাম ধসের পর ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েও, জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে তাঁকে। 

 

মূলত তাঁর এক খুরতোতো ভাই ও তাঁর বাবা-সহ মোট ছয়জন মুঙ্গের থেকে এসেছিলেন এই তারাতলায় কাজ করতে। ঘটনায় তাঁদের তিনজন ভাই মারা যান। বর্তমানে তাঁর এক ভাই মানিক ও তাঁর বাবা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন আজ বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর। 

 

 ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা অবস্থাতেই তিনি নিজের একটি ভিডিও রেকর্ড করেন, যা পরে ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।‌ পরে যা সবার নজর কেড়ে নেয়। ওই গুদামে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত মানিক চাঁদ রাওকে পরে উদ্ধারকারী বাহিনী নিরাপদে উদ্ধার করে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। 

 

সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, রক্তাক্ত অবস্থায় ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা অবস্থায় বজরংবলির নাম নিচ্ছিলেন মানিক। ক্যামেরা ঘুরিয়ে আশেপাশের ধ্বংসস্তূপের দৃশ্যটিও ক্যামেরাবন্দি করেছেন। 

 

এদিকে, তারাতলা কাণ্ডে আরও একজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৭। এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন বিহারের মুঙ্গেরের বাসিন্দা শিব চন্দ্র কুমার। তিনিও কর্মরত ছিলেন তারাতলার এই বহুতল গোডাউনে। ঘটনার পর তাঁকে উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। গত বুধবার ঘটনার পর থেকে তাঁর লড়াই চলছিল জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে। অবশেষে আজ তাঁর লড়াই শেষ হয়। শনিবার সকালে হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।