দীক্ষা ভুঁইয়া 

তারাতলায় উদ্বোধন হল মেগা কিচেনের। এখান থেকেই রান্না হয়ে তা কলকাতার ৩১৯টি সরকারি স্কুলে প্রতিদিন পৌঁছে যাবে মিড-ডে মিল। শনিবার ইসকনের মেগা কিচেনের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

নিজের হাতে খুন্তি নাড়লেন, খানিকক্ষণ রান্না করে উদ্বোধন করলেন কিচেনের। এদিন মেগা কিচেনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলকাতার ৫টি স্কুলের ৪০ জন পড়ুয়াকে নিয়ে আসা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, এখান থেকেই রান্না হয়ে তা গাড়িতে করে পৌঁছে যাবে কলকাতার স্কুলগুলিতে। সবুজ পতাকা নেড়ে সেই গাড়িরও উদ্বোধন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু এত সংখ্যক খাবার কীভাবে পৌঁছবে শহরের স্কুলে স্কুলে?

জানা গিয়েছে, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে স্কুলের মিড-ডে মিলের খাবার তৈরিতে। শুধু তাই নয়, যে গাড়িগুলি করে স্কুলগুলিতে খাবার যাবে তা পুরোপুরি সিল করে দেওয়া হবে।

একমাত্র স্কুলে খাবার পৌঁছলে সেই সিল খোলা হবে। ফলে, সমস্ত রকম হাইজিন মেনে স্কুল পড়ুয়াদের মিড-ডে মিল তৈরি হবে। পাশাপাশি, ইলেকট্রিক গাড়ি করে খাবার পাঠানো হবে স্কুলগুলিতে। খাবারের গুণমান বজায় রাখার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণের দিকেও নজর রাখা হবে বলে খবর মিলেছে প্রশাসন সূত্রে।

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, কলকাতায় পরীক্ষামূলকভাবে ৩১৯টি সরকারি স্কুলের মিড-ডে মিল রান্না ও সরবরাহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইসকন অন্নামিত্র ফাউন্ডেশনকে।

রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই কেন্দ্রীয় রান্নাঘর থেকে উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার প্রায় ৩০ হাজার পড়ুয়ার জন্য প্রতিদিন রান্না করা পুষ্টিকর নিরামিষ খাবার নির্দিষ্ট সময়ে সংশ্লিষ্ট স্কুলে পৌঁছে দেওয়া হবে।