আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজ্যে ক্ষমতার হাতবদলের সঙ্গে সঙ্গেই একাধিক পদক্ষেপ করছে বিজেপি-র নেতৃত্বাধীন সরকার। যার নবতম সংযোজন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্প চালুর উদ্যোগ। এতদিন কার্যকর করা না হলেও এ বার প্রধানমন্ত্রী ইন্টার্নশিপ স্কিম (পিএমআইএস)-এর সুবিধা পাবেন পড়ুয়ারা। সম্প্রতি রাজাবাজার সায়েন্স কলেজে এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়।
২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী, স্নাতকে পাঠরতদের পড়াশোনার পাশাপাশি ইন্টার্নশিপের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পড়ুয়াদের পেশাপ্রবেশের জন্য প্রস্তুত করা এবং চাকরির সুযোগ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যেই এই প্রশিক্ষণের ভাবনা কেন্দ্রের। এ বার সেই উদ্দেশ্যেই এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত হল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ আনুষ্ঠানিক ভাবে এই প্রকল্পের সূচনা এবং সচেতনতা প্রসারে উদ্যোগী হন।
সূত্রের খবর, বিশ্ববিদ্যালয় অধীনস্থ বিভিন্ন কলেজের পড়ুয়াই ইন্টার্নশিপে যোগ দিতে পারবেন। ষষ্ঠ সেমেস্টারে পড়াকালিন তাঁদের একটি নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে ইন্টার্নশিপের জন্য আবেদন জানাতে হবে। এর পর পড়ুয়াদের কোর্স, পাঠ্যক্রম, বাসস্থান-সহ অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখে বিভিন্ন সংস্থায় শিক্ষানবিশ হিসাবে কাজের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হবে।
জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ইন্টার্নশিপ স্কিমের অধীনে পড়ুয়ারা ছ'মাসের জন্য মোট ৬০ হাজার টাকা বৃত্তি পাবেন। এর পর সংশ্লিষ্ট সংস্থা তাঁদের কাজের গুণমান খতিয়ে দেখবে। কাজ সন্তোষজনক মনে হলেই সেই সংস্থায় মিলবে চাকরি। ওই দিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ৩০০ জন পড়ুয়া ইতিমধ্যেই ইন্টার্নশিপের জন্য পোর্টালে আবেদন জানিয়েছেন। এমনকি আবেদনের সঙ্গে সঙ্গেই বিভিন্ন সংস্থার তরফে ইন্টার্নশিপের ডাক পেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এর ফলে পড়ুয়াদের পঠনপাঠন শেষে নতুন করে চাকরির চিন্তা করতে হবে না বলে দাবি বিশ্ববিদ্যালয়ের।
অনুষ্ঠানের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় নেশামুক্ত ভারত গঠনের অঙ্গীকারও করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রের কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রকের কর্তারা এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কারিগরি শিক্ষা বিভাগের আধিকারিকেরা। পাশাপাশি কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির প্রতিনিধিরা, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিক ও অধ্যাপকদের বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ ও পড়ুয়ারা সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন অনুষ্ঠানে।















