বিউ সরকার: বীরভূমে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মন্ডলের আত্মীয়ের ডেরায় হানা দিয়ে সাড়ে ৫ কোটি টাকা ও ১৫ কেজি সোনা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই প্রসঙ্গে বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে তৃণমূল কংগ্রেস কিছু লোককে লাগিয়েছিল যারা এই ধরনের কাজ সরকারের কাছ থেকে সুযোগ নিয়ে রাজ্যের প্রাকৃতিক সম্পদ হরণ করেছে। সেখান থেকেই সুবিধা নিয়ে কিছু টাকা নিজেদের কাছে রেখেছে আর কিছু টাকা কালীঘাট অথবা শান্তিনিকেতনে গিয়েছে। যেখানেই যাক না কেন সেটা যদি কালীঘাট অথবা শান্তিনিকেতনের হয় তারাও ছাড় পাবেন না, মমতা ব্যানার্জির অভিষেক ব্যানার্জির নাম না করে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন বিজেপি মুখপাত্র।
এরপরই তিনি বলেন বালি, "পাথর, কয়লা জঙ্গলের কাঠ পর্যন্ত লুট করতে ছাড়েনি। এই প্রাকৃতিক সম্পদ লুট আদতে সরকারের রাজস্ব লুট নয় সাধারণ মানুষের টাকা লুট করেছে। রাজ্যের সম্পদ লুট হয়েছে। এগুলো বন্ধ করা উচিত ছিল কিন্তু পূর্বতন সরকার সেটা করেননি।"
পাশাপাশি তিনি ক্যাগ রিপোর্ট প্রসঙ্গে বলেন, "তৃণমূল সরকারের একটা বেশি অংশ এগুলো থেকে দুর্নীতি করে টাকা বাড়িতে নিয়ে গিয়েছেন ক্যাগ রিপোর্টে দেখা গিয়েছে। এর শাস্তি হবেই।"
বিমল গুরুং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সেই প্রসঙ্গে বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার নাম না করেই পূর্বতন সরকারকে নিশানা করেন। তিনি বলেন, "পাহাড়ে দীর্ঘদিন ধরে কোনরকম উন্নয়ন হয়নি। একাধিক জায়গায় দুর্নীতি হয়েছে। সেগুলো থেকে এখন মুক্তি পাবেন মানুষ।"
তৃণমূল নেতা মদন মিত্রকে সিবিআই দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ প্রসঙ্গে দেবজিৎ সরকার বলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করছে গোটা বিষয়টাই তদন্তে রয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কোনরকম বাধা ছাড়াই কাজ করতে পারছেন। যারা এই পুরো নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছে তারা সাজা পাবে কেউ ছাড় পাবে না।
অন্যদিকে গত শুক্রবার এসএফআই ও সিজেপির নিটের প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে ছাত্র আন্দোলনে সাংবাদিকদের নিগ্রহের ঘটনায় যারা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তারা জামিন দিয়েছে আদালত থেকে সেই প্রসঙ্গে বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, "এই বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে কারা গুন্ডা কারা ছাত্র মানুষ জানেন। বিচারক রায় দিয়েছে এই বিষয় নিয়ে বাকি কাজ রাজ্য সরকার করবেন কিন্তু যারা এ ধরনের কাজ করেছেন তারা ছাত্র হলেও শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।"
খারিজি মাদ্রাসা নিয়ে নবান্ন রিপোর্ট পেশ প্রসঙ্গে দেবজিৎ সরকার বলেন, "বাম আমলে মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য নিজে ঘোষণা করেছিলেন খারিজি মাদ্রাসা সন্ত্রাস তৈরির আতুরঘর এবং কারখানা। এরপর তিনি দলের চাপে তোষণের সমর্থনকারী সিপিএম সামনে চলে আসে তখন বুদ্ধ বাবুর কথা বাদ দিয়ে দেওয়া হয় এটা সবাই জানে। মাদ্রাসায় পড়ে যেসব ছেলেমেয়েরা কি সমাজে কাজ পাচ্ছে দেখতে চাই।"
















