আজকাল ওয়েবডেস্ক: পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান শুরু হল। রাজ্য ও জেলার পদাধিকারীদের ডাকা হয়েছিল এই বৈঠকে। প্রতিটি সাংগঠনিক জেলায়  নতুন কোর কমিটি গঠন হয়েছ, কোর কমিটির সদস্যরাও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সাতটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে রবিবার। প্রতিটি জেলা থেকে প্রতিটি বিষয়ের ওপর ১০ জনকে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। বিজেপি সরকার গঠন করেছে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগ রেখে কাজ করতে হবে সেটাই ছিল প্রধান টার্গেট। যে সাতটি বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে সেগুলি হল। জনসংযোগ, দেশ, আদর্শ অনুসরণ করে কাজ, চরিত্র গঠন, সমন্বয়, সংগঠনের ইতিহাস, সংগঠনের আদর্শ।

রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। এর আগেই কেন্দ্রীয় ও রাজ্য বিজেপি কর্মীদের বার্তা দিয়েছিল সংগঠন মজবুত করতে হবে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্তরে এই শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে।  রাজ্য ও জেলার পদাধিকারিদের ডাকা হয়েছে এই বৈঠকে। প্রতিটি সাংগঠনিক জেলায় নতুন কোর কমিটি গঠন হয়েছে । কোর কমিটির সদস্যরা এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি রাজু ব্যানার্জি জানিয়েছেন, প্রশিক্ষণ নতুন কিছু নয় কেন্দ্রীয় বিজেপি সমগ্র দেশে এই প্রশিক্ষণ দিয়েছেন এবার এ রাজ্যে প্রশিক্ষণ হচ্ছে। শুরু হয়েছে কয়েকদিন আগে ধীরে ধীরে জেলা থেকে এবার মন্ডল স্তরে যাব সমস্ত কার্যকর্তাদের নিয়ে প্রশিক্ষণ চলে।

 

বিজেপির সূত্রের খবর সংগঠন মজবুত এবং কর্মীদের পদ্ধতিগতভাবে নিয়মানুবর্তি করার জন্য আগামী জুলাই মাস থেকে জেলা, মণ্ডল, ব্লক স্তরের এই বিজেপির দীনদয়াল উপাধ্যায় শিবিরের প্রশিক্ষণ শুরু হবে। কিভাবে কোথায় কাদের মাধ্যমে সংক্রান্ত বৈঠকে রবিবার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে এই শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন সুনীল বনসল, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, অমিতাভ চক্রবর্তী সহ রাজ্য বিজেপির পদাধিকারী এবং সাধারণ সম্পাদকসহ জেলা নেতৃত্ব। 

 

এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল যুব সমাজকে আধুনিক শিল্প ও পরিষেবা ক্ষেত্রের উপযোগী দক্ষতা প্রদান করা, যাতে তারা সহজেই কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে পারে এবং আত্মনির্ভর হয়ে উঠতে পারে।

এই অভিযানের আওতায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্য পরিষেবা, খুচরো ব্যবসা, নির্মাণ শিল্প, আতিথেয়তা এবং অন্যান্য কর্মমুখী ক্ষেত্রের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণার্থীদের ব্যবহারিক জ্ঞান ও দক্ষতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে পারেন।

 

সরকারের মতে, এই কর্মসূচি শুধুমাত্র দক্ষতা উন্নয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং যুবকদের কর্মসংস্থানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করারও একটি বড় পদক্ষেপ। প্রশিক্ষণ শেষে যোগ্য প্রার্থীদের চাকরির সুযোগ ও ক্যারিয়ার পরামর্শ দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত পরিবর্তনশীল অর্থনীতিতে দক্ষ মানবসম্পদই উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান দেশের যুব সম্প্রদায়কে নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই উদ্যোগ আত্মনির্ভর ভারত গঠনের স্বপ্নকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

&t=1s