আজকাল ওয়েবডেস্ক: শুক্রবার ধর্ম তলায় সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় ইতিমধ্যে গ্রেপ্তারি শুরু হয়েছে। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় বেশকিছু নাম বলেছেন। তারা তৃণমূল করে, তৃণমূলের অ্যাক্টিভিস্ট। এরা অসভ্য, এদের বিরুদ্ধে কোন ভাষা যথেষ্ট নয়। এদের বিরুদ্ধে গুন্ডা দমন আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দেশের মানুষের ভরসা ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফলে সেখান থেকে দেশে ফের একবার ভরসার পরিবেশ ফিরেছে। রবিবার এই বিষয়টি নিয়ে ফের একবার রাজ্য সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মন্ত্রী তাপস রায়।
নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে কলকাতায় মিছিল ও জমায়েতে তুমুল বিশৃঙ্খলা। প্রতিবাদের নামে কার্যত 'জঙ্গিপনা' হয়েছে। এবার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুন্ডাদমন আইনে মামলা রুজু করে শাস্তি। 'এমন ব্যবস্থা করব, ৩ পুরুষ মনে রাখবে' বিধানসভায় দাঁড়িয়ে কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। ইতিমধ্যেই বিশৃঙ্খলার ঘটনায় '৭০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। যাঁরা কেউ ছাত্র নন, ককরোচ পার্টির সদস্য নন।' ‘ককরোচ’ সমর্থকদের ভিড়ে মিশে যাওয়া ‘বহিরাগত’দের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান স্পষ্ট করেন শুভেন্দু। বলে রাখা প্রয়োজন, ধর্মতলার বিশৃঙ্খলার ঘটনাতেই প্রথম গুন্ডাদমন আইন লাগু হল এ রাজ্যে।
রবিবার কার্গিল দিবসের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি আরও বলেন, প্রায়োরিটি যাদের ভারত মাতা নয়, প্রায়োরিটি যাদের দেশপ্রেম নয়, প্রায়োরিটি যাদের রাষ্ট্রপ্রেম নয় তাদের কথা বলতে পারব না। অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই কারগিল বিজয় দিবস। গত কয়েকদিন ধরে দিল্লিতে ও পশ্চিমবঙ্গে যেগুলি করার চেষ্টা হচ্ছে সেগুলো দেশদ্রোহী রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ সেটাও বিদেশি ফান্ডে নিয়ে। ভারতবর্ষের অবস্থানকে দুর্বল করার জন্য, অস্থির করার জন্য এগুলি করা হচ্ছে। বিধানসভা আইন মেনেই ডিলিমিউটেশন করা হবে।
















