কে এই চন্দন? সোমবার রাতেই চন্দনের নাম নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন খোদ কুণাল। সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, 'এ কি সেই একই???
মমতাদির বাড়ি থেকে বেরোলাম। মিডিয়ার প্রতিনিধিরা দাঁড়াতে বললেন। দাঁড়ালাম। সেই সময় একজন ডিম ছুঁড়ল। অন্যজন ছবি তুলছিল। বাঁচোখটা অল্পের জন্য রক্ষা পেল। পুলিশ ধরল না। জামাই আদর করে পালাতে দিল। আমি ভেতরে গেলাম। মাথা ধুলাম। নেত্রী ও নেতাদের জানালাম। পুলিশে অভিযোগ পাঠালাম। কল্যাণদা সাংবাদিকদের যা বলার বললেন। খবর ও ছবি এলো আজও কজন দুষ্কৃতী ডিম, পাথর নিয়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে। আমি বললাম, ওরা যা পারে করুক। গাড়িতে উঠব না। মোড় অবধি হেঁটেই যাব। হেঁটে গেলাম। জয় বাংলা শ্লোগান দিলেন কিছু কর্মী। মোড়ে গুন্ডাগুলো সরে গেল। ওখানে দাঁড়িয়ে আবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বললাম। তারপর গাড়িতে উঠেছি।
শুনলাম ডিমছোঁড়া বাঁদরটা নাকি মমতাদির বাড়ি সিআইডি রেডের সময় পুলিশের উইটনেস ছিল। সিজার লিস্টেও নাকি ওরই সই। তাহলে কি ওই বাড়িকে ঘিরে হামলার রেইকি করানো হয়েছিল? Z ক্যাটাগরির নিরাপত্তার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি ঘিরে এসব কী?
আজ যারা আক্রমণ করল, গ্রেপ্তার চাই।
ওই ছেলেটাই উইটনেস হিসেবে ঢুকেছিল কিনা, তদন্ত হোক। যদি তাই হয়, তাহলে মমতাদি নিরাপদ নন। তাঁর বাড়ি ঘিরে কোনো খারাপ পরিকল্পনা চলছে।
আমি ডিম ভালোবাসি। এসব ছ্যাঁচড়ামি করে আমাকে নড়ানো যাবে না।'
মঙ্গলবার সকালেও, কুণাল ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন। তার শেষাংশে কুণাল লেখেন, 'আমার উপর হামলার চেষ্টা হল। আরও হবে। আমি ভয় পাই না। এক, বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে লড়ব। তবে বেলেঘাটার মানুষের পরিষেবায় সরকারের সঙ্গে প্রশাসনিক যোগাযোগ থাকবে। দুই, আমার দলের মধ্যে ভুলত্রুটি সংশোধনের মাধ্যমে ঘুরে দাঁড় করানোর চেষ্টা করব। বড়জোর আমার মৃতদেহ পড়ে থাকবে। কিন্তু আমি বদলাবো না।'
গ্রেপ্তারির ঘটনায় কুণাল সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন, 'গতকালের ডিম বীরত্বে দুই ডিমবিপ্লবী চন্দন সিং, রবি কয়াল গ্রেপ্তার বলে খবর পেয়েছি। থানায় ফোন করেছিলাম, তাঁরাও বললেন গ্রেপ্তার।
আশঙ্কার বিষয় পুলিশ লঘু ধারা দিয়ে আজই জামিন করিয়ে দেবে। থানাকে বলেছি, ওসব চলবে না।
সিআইডির তল্লাশিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে সাক্ষী হিসেবে যাওয়া দুষ্কৃতী তাঁর বাড়ির সামনেই হামলা করছে, এই অভিযোগেরও তদন্ত চাই।'