আজকাল ওয়েবডেস্ক: ঘোষণা মতোই ১ আগস্ট থেকে শুরু হতে চলেছে ইসকনের মিড ডে মিল প্রকল্পের পাইলট প্রজেক্ট। শনিবার আলিপুরের ইসকনের অন্নামৃত কিচেন থেকে এই প্রকল্পের উদ্বোধন হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ইসকন সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। সকাল পৌনে ১০টা প্রকল্পের সূচনা হবে।
ইসকন জানিয়েছে, সরকারি সহযোগিতায় পরিচালিত এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগটি উদ্ভাবন, দক্ষতা ও মানবিকতার মাধ্যমে পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। এই অগ্রণী উদ্যোগটি স্কুলের শিশুদের জন্য পুষ্টিকর মিড ডে মিল পরিষেবা আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সমাজসেবায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের শক্তিকে এই উদ্যোগ তুলে ধরবে।
বাজেট পেশ করার সময় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত ঘোষণা করেন যে, পাইলট প্রোজেক্ট হিসেবে কলকাতার পুর এলাকাগুলিতে মিড ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া হবে ইসকনকে। এরপরেই আমিষ-নিরামিষ বিতর্ক তৈরি হয়। সেই বিতর্কে জল ঢেলেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার নবান্ন থেকে তিনি ঘোষণা করেন যে, কলকাতার একটি বড় অংশে ইসকনের দ্বারা মিড-ডে মিল বিরতণ হবে এবং ইসকন সাত্ত্বিক-শুদ্ধ প্রোটিন যুক্ত খাবার পরিবেশন করবে। তার বাইরেও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে প্রোটিন যুক্ত ডিম আলাদা করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, প্রাথমিক স্তরেও ছাত্রপিছু বরাদ্দ ১০ টাকা করা হচ্ছে। ১ আগস্ট থেকে তা কার্যকর হবে। এছাড়া মিড-ডে মিল রান্নার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের মাসিক ভাতা ২,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩,০০০ টাকা করার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।
ভারতে স্কুলে মিড-ডে মিল চালু করার পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং তাদের প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান দেয়া। আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া বহু পরিবারের শিশুই এই মিড-ডে মিলের খাবারের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। রাজ্যে আগে মিড ডে মিলে মাথাপিছু বরাদ্দ ছিল ৬ টাকা ৭৮ পয়সা। সেই বরাদ্দ বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে।
















