আজকাল ওয়েবডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবি তৃণমূলের। রাজ্যে পালাবদলের একমাসের মধ্যেই ছন্নছাড়া দশা। ক্ষুব্ধ তৃণমূল বিধায়কদের সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে দল। এদিকে বিধানসভায় 'বিরোধী' দলের তকমা বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন কুণাল ঘোষ, অসীমা পাত্র।
তৃণমূলের তরী যে ডুবতে চলেছে, তা টের পেয়েই আজ মঙ্গলবার নয়া চিঠি হাতে বিধানসভায় হাজির হন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ এবং অসীমা পাত্র। উদ্দেশ্য ছিল, স্পিকার রথীন বোসের অনুপস্থিতিতে সেই চিঠি তাঁর সচিবের কাছে জমা দিতে চেয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু কুণাল ঘোষের অভিযোগ, স্পিকারের সচিব নাকি সেই চিঠি গ্রহণই করেননি।
মঙ্গলবার দুপুরে বিধানসভায় যান কুণাল, অসীমারা। স্পিকারের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি ছিল তাঁদের। এদিন কুণাল অভিযোগ করেন, যে চিঠি তাঁরা জমা দিতে গিয়েছিলেন, তা নিয়ে অস্বীকার করেছেন স্পিকারের সচিব। সরাসরি জানিয়ে দেওয়া হয়, আর কোনও চিঠি আর তিনি গ্রহণ করবেন না।

এর আগে গতকাল সোমবার তৃণমূলের পক্ষ থেকে একটি চিঠি স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই চিঠিটি স্পিকারের সচিব গ্রহণ করেন। এই চিঠি রিসিভ করার পরেই স্পিকারের সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়, বিরোধী দলের কাছে থেকে কোনও চিঠি নিতে গ্রহণ করতে পারবেন না। নির্দেশ অনুযায়ীই বিরোধী দলের চিঠি এদিন গ্রহণ করেননি সচিব।
কুণাল ঘোষ আরও অভিযোগ করেন, স্পিকার এবং বিধানসভার সচিবালয়ের থেকে স্পিকারের সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তিনি বিরোধীদের চিঠি গ্রহণ করবেন না। চিঠি গ্রহণ করতে অস্বীকার করায়, তাঁরা বাধ্য হয়ে স্পিকারের সচিবের চেয়ারে পেপার ওয়েট চাপা দিয়ে রেখে এসেছেন। এমনকী এই মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দিও করেছেন।
রেগেমেগে কুণাল জানান, "স্পিকার নিজে দেখা করতে চান না, আবার চিঠিও দেওয়া যাবে না, সেটা হয় নাকি!" যদিও এ প্রসঙ্গে স্পিকার কোনও মন্তব্য করেননি। অন্যদিকে মন্ত্রী তাপস রায় জানান, "স্পিকার যদি কোনও নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেটা নিয়ে আলোচনা করা সমীচিন নয়।"















