আজকাল ওয়েবডেস্ক: আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ কার্তুজ সহ গ্রেপ্তার নাবালক। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শহর কলকাতায় অভিযান চালিয়ে এই সাফল্য পেল কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।
অভিযুক্ত নাবালকের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ কার্তুজ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর প্রায় ১২টা ১৫ মিনিট নাগাদ স্ট্র্যান্ড রোডের পূর্ব দিকের ফুটপাথে পিডব্লিউডি পরিচালিত একটি ‘পে অ্যান্ড ইউজ’ টয়লেটের সামনে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায় এক যুবককে। গোপন সূত্রে তথ্য পেয়ে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ এর একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আটক করে।
আটক নাবালকের পরিচয় মহম্মদ ইউসুফ (১৭)। বাড়ি বিহারের নালন্দা জেলার সেখানা গ্রামে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে তল্লাশি করা হলে তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়, তিনটি দেশি একনলা আগ্নেয়াস্ত্র, দুটি ৭ মিমি পিস্তল, চারটি ম্যাগাজিন, ৮ মিমি ক্যালিবারের ১৮টি কার্তুজ, ৭.৬৫ মিমি ক্যালিবারের ২২টি কার্তুজ।
উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ সম্পর্কে অভিযুক্ত কোনও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেনি বলেই জানিয়েছে পুলিশ। এরপরই সমস্ত অস্ত্র ও গোলাবারুদ বাজেয়াপ্ত করা হয়। বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট নাগাদ ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় এসটিএফ থানায় একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র অন্য কোথাও সরবরাহ করার পরিকল্পনা ছিল। গোটা ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল।
ধৃত অভিযুক্তকে বৃহস্পতিবার আদালতে পেশ করা হবে বলেই জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ। পুরো বিষয়টির তদন্ত চলছে। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে এই নাবালকের পেছনে আরও কারা কারা যুক্ত রয়েছে। কারণ একা এই নাবালকের পক্ষে এত পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র আনা বা পাচার করা সম্ভব নয়। এর পিছনে রয়েছে আরও একাধিক ব্যক্তি, এমনটাই বলেই অনুমান পুলিশের। এর সঙ্গে ভিন রাজ্যের যোগ রয়েছে কিংবা বিহারের যোগাযোগ কতটা রয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ গ্রেপ্তার হওয়া এই নাবালক যুবক বিহারের বাসিন্দা।
এটা ঘটনা, এর আগেও একাধিক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছে যাদের বিহারের বা ভিন রাজ্যের যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছিল। তাই কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা পূর্বের সূত্র ধরে এবং এই গ্রেপ্তার হওয়া নাবালককে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এর মূল পান্ডা বা চক্রকে চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার করে তদন্তের আওতায় আনার চেষ্টা করছে।















