আজকাল ওয়েবডেস্ক: একুশে জুলাই। শহিদ দিবস। মমতা তখন কংগ্রেস নেত্রী। পরে কংগ্রেস ভেঙে তৈরি করলেন তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলায় শুরু হল তৃণমূলের একুশে জুলাই, শহিদ দিবস পালন। ১৫বছর ক্ষমতায় থাকার পর, তৃণমূল হারতেই, মমতার তৃণমূল ভেঙে টুকরো টুকরো। দল ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই ভেঙে গেল, তৃণমূলের শহিদ দিবসের মঞ্চও। কলকাতায়, দু'জায়গায় তৃণমূলের দুটি একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ। অন্যদিকে তৃণমূল ভেঙে, এনসিপিআই-এ যোগ দেওয়া কাকলি-সুদীপরা, দিল্লির বুকে পালন করবেন শহিদ দিবস। কাকলি ঘোষদস্তিদার সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, 'শহীদ তুমি ঘুমাও এখন আমরা লড়াই চালিয়ে যাবো' শহিদ স্মরণে আপন মরণে রক্ত ঋণ শোধ করতে ২১ তারিখ দিল্লির পথে থাকব।' শহিদ দিবস পালন করবে কংগ্রেসও। তবে মঞ্চ, ডেকোরেটার্স, কর্মী-সমর্থকদের ভিড়, সব ভেঙে গেলেও, বিশে জুলাই এক রইল মমতার 'রিচুয়্যাল'।
এবার মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল, অর্থাৎ কালীঘাট তৃণমূল একুশে জুলাইয়ের অনুমতি পেয়েছে বিড়লা প্ল্যানেটরিয়ামের সামনে করার। দীর্ঘদিনের সঙ্গী বেশিরভাগ নেতাই এখন দেখভাল করছেন ঋতব্রত শিবিরের মঞ্চ বাঁধার কাজ, গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। যদিও অসিত মজুমদারের মতো কিছু নেতা এখনও জোর গলায় বলছেন, মমতা ব্যানার্জির জন্যই হাজার হাজার লোক নিয়ে আসবেন কলকাতায়। অন্যদিকে ঋতব্রত শিবির বলছে, মানুষ আসবে তাদের মঞ্চের সামনেই। তাদের চ্যালেঞ্জ শহিদ পরিবারগুলি নিয়েও।
তার মাঝেই, নিজেদের পুরনো নিয়ম মেনে, এদিন সভাস্থল ঘুরে দেখলেন মমতা-অভিষেক। বিড়লা প্ল্যানেটরিয়ামের সামনে দাঁড়িয়ে একগুচ্ছ বিষয়ে মমতা অভিযোগও করলেন। অন্যান্য বছরে, একুশে জুলাইয়ের আগে থেকেই, জেলা থেকে কাতারে কাতারে কর্মী-সমর্থকরা আসতেন। একাধিক জায়গায় তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করা হতো। এবার আড়ম্বর নেই অতটা। সীমিত লোকসংখ্যার কথা জানিয়েছে আদালতও। মমতা বলছেন, তাঁদের সভা-মিছিল করতে দেওয়া হচ্ছে না। অভিযোগ, তাঁর সভাস্থলের কাছে, কোনও নিরাপত্তা নেই, নেই পুলিশ। অভিযোগ, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের বৈঠকের অনুমতি মিললেও, মিলছে না মমতা ব্যানার্জির বৈঠকের অনুমতি। তাঁর সভায় আসা কর্মী সমর্থকরা শহরে থাকার জায়গা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। বলছেন 'তবুও তাঁরা এসেছেন প্রাণের টানে-হৃদয়ের টানে।'
















