আজকাল ওয়েবডেস্ক: একুশে জুলাইয়ের পরে থেকে, কালীঘাট তৃণমূলের ভিতরে কি আরও স্পষ্ট হচ্ছে ফাটল? কল্যাণের ক্ষোভ এবং তারপর থেকে দোলার বিরুদ্ধে একাধিক নেতা-নেত্রীর মন্তব্যে বাড়ছে জল্পনা। একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে কল্যাণ-মমতার বিবাদের ঘটনা ঘটে। কল্যাণের ক্ষোভ, মমতা ব্যানার্জি সকলের সামনেই তাঁকে অপমান করেছেন। সেদিনেই, কল্যাণ ব্যানার্জি একটি পোস্ট করেন ফেসবুকে। সাধন কন্যা শ্রেয়া, সেই পোস্ট শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, দোলার বিরুদ্ধে। দোলা সেন তাঁকে একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে দাঁড়াতে দেননি। শ্রেয়া লেখেন, দোলা তাঁকে জানিয়েছিলেন, একমাত্র প্রাক্তন বিধায়ক, সাংসদরাই থাকতে পারবেন মঞ্চে।
তারপরেই সামনে আসে কল্যাণের মন্তব্য। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্যাণ বলেন, 'সেদিন আমি প্রথম যখন ঢুকি, তৃণমূলের অনেক কর্মী বিরক্ত ছিলেন দোলার উপর। ওরা বলে, দোলা খুব বাজে ব্যবহার করছে। আমি বললাম, ঠিক আছে চিন্তা করিস না, আমি যাচ্ছি। আমি উপরে উঠে সবকিছু ঠিকঠাক করি।'
কল্যাণের এই বার্তাও শেয়ার করেন শ্রেয়া। দোলার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে বলেন, 'কর্মীদের সম্মান দিতে শিখুন। রেলাবাজির অভ্যাসটা এখনও যায়নি, কিন্তু মনে রাখবেন, রাজনীতিতে কর্মীদের সম্মানই একজন নেতার আসল পরিচয়।'
কল্যাণের বার্তা শেয়ার করেছেন কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র নীলাঞ্জন দাসও। আজকাল ডট ইন-কে নীলাঞ্জন প্রতিক্রিয়ায় জানান, ' হ্যাঁ, কল্যাণদা বলেছেন। আসলে সেদিন দোলাদির কিছু ব্যবহার ঠিক লাগেনি। হতেপারে, তিনি তাঁর আগের দিন থেকে, একুশে জুলাইয়ের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরেও ছিলেন। সারক্ষণ কাজ, চাপের মধ্যে হয়তো এটা তাঁর বহিঃপ্রকাশ ছিল। কিন্তু তিনি আমাদের কাছে বর্ষীয়ান নেত্রী। একুশে জুলাই আমাদের কাছে আবেগের দিন। ফলে, সেদিন তাঁর অদ্ভুত আচরণ অনেকের ভাল লাগেনি। আমার সঙ্গেও তিনি খারাপ ব্যবহার করেছেন। তবে যেহেতু এটি দলের আভ্যন্তরীণ বিষয়, আমি আমার সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জিকে জানাই, আরও অনেককেই জানাই।'
















