আজকাল ওয়েবডেস্ক: ৯ মে। যেদিন ব্রিগেডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, সেদিনই স্পিকারকে চিঠি দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। অভিষেক ব্যানার্জির লেটারহেডে জানানো হয়েছিল, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁকে সহায়তা করতে ডেপুটি লিডার বা উপ-দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয় দুই হেভিওয়েট নেত্রী অসিমা পাত্র এবং নয়না ব্যানার্জিকে । অন্যদিকে, পরিষদীয় শৃঙ্খলার দায়িত্ব তথা ‘চিফ হুইপ’-এর কঠিন ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়েছিল ফিরহাদ হাকিমের হাতে। 

কিন্তু পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে একমাসেই। তৃণমূলের ঘরে ভাঙন। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়ক নিয়ে ঋতব্রত বিরোধী দলনেতা বিধানসভায়। এই পরিস্থিতিতে, মমতার দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ ববি-ও ধীরে ধীরে সুর বদল করে টিম-ঋতব্রততে। সোমের বৈঠকে তদারকিও করেছেন তিনই। বৈঠক মিটতেই, এবার চিফ-হুইপ পদ থেকে ফিরহাদ  হাকিমকে সরানোর আর্জি জানিয়ে চিঠি পাঠাল কালীঘাট। 

 

সোমবার রাতে, কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে মেইল করা হয় স্পিকারকে। তাতে স্পষ্ট জানানো হয়, চিফ হুইপ পদ থেকে ফিরহাদ হাকিমকে সরিয়ে, নিয়োগ করা হয়েছে মদন মিত্রকে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় চিঠি পৌঁছে দেন স্পিকারের ঘরে। যদিও সূত্রের খবর, বিষয়টি বিচারাধীন, এই কারণ দেখিয়ে স্পিকারের অফিস ওই চিঠি গ্রহণ করেনি।