আজকাল ওয়েবডেস্ক: আদালতের নির্দেশ মেনে বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে সভার অনুমতি পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা ব্যানার্জি সোমবার বিকেলেই সভাস্থল ঘুরে আসেন। পরিদর্শন করেন অভিষেকও। তবে কিছুক্ষণ পরেই অভিযোগ উঠল কালীঘাট তৃণমূলের সভামঞ্চ ভাঙচুরের। অভিযোগ, সভাস্থলের চেয়ার ভাঙচুর করা হয়, ছিঁড়ে ফেলা হয় ফ্লেক্স,পোস্টার। ঘটনার পর, ফের, রাতেই সভামঞ্চস্থলে গেলেন মমতা। সঙ্গী দোলা, কল্যাণ, ডেরেক। সভামঞ্চের কাছে পৌঁছন অভিষেক ব্যানার্জিও।

 

কল্যাণ ব্যানার্জি ঘটনাস্থলে পৌঁছেই, ফেসবুক লাইভ করে পরিস্থিতি দেখানোর চেষ্টা করেন। অভিযোগ করেন ভাঙচুরের। তারপরেই ঘটনাপ্রসঙ্গে বলতে শুরু করেন খোদ মমতা ব্যানার্জি। তিনি শুরুতেই জানান, ভাঙচুরের খবর পেয়েই, তিনি তৎক্ষণাৎ ছুটে আসেন ঘটনাস্থলে। জানান, 'মঞ্চ ভাঙা হচ্ছে। মাইকের সংযোগ কেটে দেওয়া হয়েছিল। বিদ্যুতের সংযোগ কেটে দেওয়া হয়েছিল।'

 

মধ্যরাতে সভামঞ্চের সামনে দাঁড়িয়ে ক্ষুব্ধ মমতা মনে করালেন, আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পরেই সভার আয়োজন করছেন তাঁরা, একইসঙ্গে ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে, নিশানা করলেন গেরুয়া শিবিরকেও। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তারও অভিযোগ তুলেছেন মমতা। ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়েই আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। সাফ জানান, কল্যাণ ব্যানার্জি এবং সঙ্গে তিনি নিজেও, যাবেন আদালতে।

 

 

 তৃণমূলের একুশে জুলাই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, অন্যান্য বছরে, একুশে জুলাইয়ের আগে থেকেই, জেলা থেকে কাতারে কাতারে কর্মী-সমর্থকরা আসতেন। একাধিক জায়গায় তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করা হতো। এবার আড়ম্বর নেই অতটা। সীমিত লোকসংখ্যার কথা জানিয়েছে আদালতও। মমতা ব্যানার্জি বিকেলে সভাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে বলেন, তাঁদের সভা-মিছিল করতে দেওয়া হচ্ছে না। অভিযোগ, তাঁর সভাস্থলের কাছে, কোনও নিরাপত্তা নেই, নেই পুলিশ। অভিযোগ, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের বৈঠকের অনুমতি মিললেও, মিলছে না মমতা ব্যানার্জির বৈঠকের অনুমতি। তাঁর সভায় আসা কর্মী সমর্থকরা শহরে থাকার জায়গা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। বলছেন 'তবুও তাঁরা এসেছেন প্রাণের টানে-হৃদয়ের টানে।'