আজকাল ওয়েবডেস্ক: মিড ডে মিল, ইসকন এবং ডিম। গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যে তা নিয়ে জোর চর্চা। সেসবের অবসান ঘটালেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার নবান্ন থেকে শুভেন্দু দহিকারী একপ্রকার সব জল্পনার অবসান ঘটালেন। তিনি বলেন, আগামীর ভবিষ্যৎকে 'প্রোটিন যুক্ত সম্পূর্ণ আহার' দিতে ডিমও দেবে রাজ্য।
কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? এদিন তিনি বলেন, '১ আগস্ট থেকে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে কলকাতার একটি বড় অংশে ইসকনের দ্বারা মিড-ডে মিল বিরতণ হবে এবং ইসকন সাত্ত্বিক-শুদ্ধ প্রোটিন যুক্ত খাবার পরিবেশন করবে। তার বাইরেও আমরা, এসএইচজি গ্রুপের মাধ্যমে প্রোটিন যুক্ত ডিম আলাদা করে দেওয়ার ব্যবস্থা করছি, যাতে আমাদের এখানকার ছাত্র-ছাত্রী, আগামীর ভবিষ্যৎ, তাদের প্রোটিন যুক্ত সম্পূর্ণ আহার দিতে পারি।'
সোমবার বাজেট পেশ করার সময়, রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, কলকাতার পুর এলাকাগুলিতে এবার থেকে মিড-ডে মিলের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হবে ইসকনকে। তারপর থেকেই শুরু হয় নিরামিষ-আমিষ বিতর্ক। ইসকন কি আমিষ খাবার দেবে? নাকি নিরামিষ? যদি নিরামিষ খাবার দেয়? তাহলে কি শিশুদের পুষ্টিতে ঘাটতি ঘটবে?
এই প্রসঙ্গে রাজ্যের স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দিনকয়েক আগেই বলেন, 'ডিম-ই একমাত্র পুষ্টির উৎস নয়।' সঙ্গেই তিনই বলেন, 'পৃথিবীর একটা বড় অংশের মানুষ নিরামিষ খেয়ে থাকেন। আমরা একটা পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে দেখছি।'
বুধবার মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক স্তরেও ছাত্রপিছু বরাদ্দ ১০ টাকা করা হচ্ছে, যা ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে। এছাড়া মিড-ডে মিল রান্নার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের মাসিক ভাতা ২,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩,০০০ টাকা করার কথাও ঘোষণা করেন তিনি।
















