আজকাল ওয়েবডেস্ক: আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ শহরের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি শুরু করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। বালিগঞ্জ, কসবা-সহ ৬ জায়গায় তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই তল্লাশিতে বিরাট সাফল্য পেল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এদিনের অভিযানে বেহালার ব্যবসায়ী জে এস কামদারির বাড়ি থেকে এক কোটি ২০ লক্ষ টাকা নগদ এবং সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। 

প্রসঙ্গত, বুধবার সকালে বালিগঞ্জের অশ্বিনী দত্ত রোডে সান এন্টারপ্রাইজের অফিসে অভিযান চালায় ইডি। নির্মাণ ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত এই সংস্থা। সূত্রের খবর, কয়েক কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা অভিযোগে সান এন্টারপ্রাইজ এর অফিসে তল্লাশি অভিযান চালান তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর বাড়িতেও তল্লাশি চালায় ইডি। অভিযোগ, সোনা পাপ্পুর বাড়িতে বেশ কিছু জিনিস লুকিয়ে রাখা রয়েছে। তাঁর মাধ্যমে একাধিক প্রভাবশালীর কাছে টাকা পৌঁছে যেত। সেই টাকার খোঁজেই তল্লাশি ইডির। নির্মাণ ব্যবসায় একাধিক সংস্থা সিন্ডিকেটের মাথার আধিকারিক ছিলেন এই সোনা পাপ্পু বলে দাবি ইডির। 

সোনা পাপ্পু ছাড়াও কাকুলিয়া রোডে রাহুল দাসের বাড়িতেও তল্লাশি অভিযানে ইডি। সোনা পাপ্পুর ব্যবসায়িক অংশীদার এই রাহুল। ইডি সূত্রে খবর, সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে থানায়  থানায় তোলাবাজি থেকে শুরু করে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। কসবা ঢাকুরিয়া যাদবপুর এলাকায় এই সোনা পাপ্পু তোলাবাজি করত বলে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এই সমস্ত টাকা প্রটেকশন মানি হিসাবে একাধিক প্রভাবশালীর কাছে পৌঁছে যেত। তারপরেই ইসিআইআর করা হয় ইডির পক্ষ থেকে। কার কার কাছে এই টাকা পৌঁছতো কিভাবে এই টাকা খাটানো হয়েছে। সেই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখতেই তল্লাশি অভিযান। কসবা বালিগঞ্জ কাকুলিয়া রোড রাহুল দাসের বাড়ির পাশাপাশি নিউ আলিপুরের ব্যবসায়ী জে এস কামদার এর বাড়িতেও তল্লাশি চলে।