আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের। তাতে তিনি বুঝিয়েছেন বিজেপির 'ই টু' আর বাংলার 'এম থ্রি'। মূলত একটি ছবি। স্পষ্টতই দুটি ভাগ।

বাঁ দিকে- ধূসর রঙের ব্যাকগ্রাউন্ডে আবছা উল্টনো পদ্মফুল। যা প্রতীক গেরুয়া শিবিরের। উপরে লেখা, 'বিজেপি'স ই টু'। নীচে লেখা-
ইডি ফর অপোনেন্টস অর্থাৎ বিরোধিদের জন্য ইডি।
ইসিআই ফর ভোটারস অর্থাৎ সাধারণের জন্য নির্বাচন কমিশন।

এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, বাংলার শাসক দল বারে বারে অভিযোগ করেছে, কেন্দ্র কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে কাজে লাগিয়ে দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে হয়রানি করছে। অন্যদিকে সাধারণের হেনস্থার অভিভোগ তুলেছে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে।

অভিষেকের পোস্টের ডান দিকে নীল ব্যাকগ্রাউন্ডে আবছা তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা, উপরে দলীয় লোগো। তাতে লেখা 'বেঙ্গল'স এম থ্রি'। নীচে লেখা-
মা, মাটি, মানুষ।

এই পোস্টের উপরে একটি ক্যাপশন লিখেছেন অভিষেক। তাতে উল্লিখিত-
'আমরা অপমান সইবো না
ভীরুর মত ঘরের কোণে রইবো না
আমরা অপমান সইবো না
ভীরুর মত ঘরের কোণে রইবো না
আমরা আকাশ থেকে বজ্র হয়ে ঝরতে জানি
তোমার ভয় নেই মা
আমরা প্রতিবাদ করতে জানি ।' 

এর আগেও, অভিষেক সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন এজেন্সির অপব্যবহার, সাংসদদের উপর হামলার ঘটনার নিন্দা করে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, 'গণতন্ত্র ঝুঁকিতে। অপরাধীদের পুরস্কার দেওয়া হয়।  এজেন্সিগুলিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বিক্ষোভকারীদের জেলে পাঠাও। ধর্ষকদের জামিন দাও। এটা বিজেপির নতুন ভারতের সংস্করণ। দেশের বাকি অংশ আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হলেও, বাংলা প্রতিরোধ করবে। আমরা লড়াই জারি রাখব এবং পরাজিত করব, যতই বল প্রয়োগ করো না কেন।' 

শুক্রবার সকালেই দিল্লিতে ধুন্ধুমার। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদের শান্তিপূর্ণ ধর্নার মাঝেই উপস্থিত পুলিশ। জোর করে সাংসদদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতেই শুরু হয় ধস্তাধস্তি।  তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদদের রীতিমতো টেনে-হিঁচড়ে, চ্যাংদোলা করে নিয়ে যাওয়া হয়। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, ইডি হানা দেয় তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে চুক্তিভুক্ত ভোটকৌশলী সংস্থা আইপ্যাকের অফিসে এবং আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে। ঘটনায় বৃহস্পতিতেই সরব হন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি। প্রতীক জৈনের বাড়িতে যান তিনি, যান আইপ্যাকের অফিসেও। দীর্ঘসময় সেখানেই ছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার থেকেই পথে তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার দিল্লিতে তৃণমূল কংগ্রেসের আট সাংসদ ধর্নায় বসলে, সরিয়ে দেয় দিল্লি পুলিশ।