নিতাই দে: রাজনৈতিক হিংসায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করল ত্রিপুরা সরকার। চালু করেছে ‘স্কিম ফর প্রোভাইডিং এমপ্লয়মেন্ট টু মেম্বার্স অফ ফ্যামিলি অফ পার্সনস কিল্ড ইন পলিটিক্যাল ভায়োলেন্স’ প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় এখনও পর্যন্ত রাজনৈতিক হিংসায় নিহতদের পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার সচিবালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানান ত্রিপুরা সরকারের বিদ্যুৎ, কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী রতন লাল নাথ। মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে রাজনৈতিক হিংসার শিকার পরিবারগুলির পুনর্বাসন ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই প্রকল্প চালু করেছে। প্রকল্প অনুযায়ী রাজনৈতিক হিংসায় নিহত প্রত্যেক ব্যক্তির পরিবারের একজন সদস্যকে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সক্ষমতার ভিত্তিতে সরকারি চাকরি প্রদান করা হচ্ছে।
তিনি জানান, এ পর্যন্ত মোট ৩৮টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে ১৮টি ক্ষেত্রে চাকরি দেওয়া হয়েছে। আরও ১১টি আবেদন স্ক্রুটিনি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া ৫টি আবেদন বাতিল করা হয়েছে এবং ৪টি আবেদন এখনও তদন্তাধীন।
রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড হিসেবে কোনও ঘটনাকে চিহ্নিত করার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, স্বরাষ্ট্র দপ্তর এবং সিভিল প্রশাসনের যৌথ যাচাইয়ের ভিত্তিতে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আবেদনগুলি পর্যালোচনার জন্য একটি স্ক্রুটিনি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মন্ত্রী রতন লাল নাথ। কমিটিতে আইন দপ্তরের সচিব, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব ও অধিকর্তা, আইজিপি এবং স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিনিধিরা সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, "সমাজের প্রতিটি মানুষের উন্নয়ন ও কল্যাণ নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।" রাজনৈতিক হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সহায়তা প্রদান সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নেরই একটি অংশ।















