আজকাল ওয়েবডেস্কঃ সোমবার দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র সংসদ ভবন অভিযানে পুলিশি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে এ বার সংহতি জানালেন কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী মোদীর সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করল কংগ্রেস। বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি সেখানে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা এবং কে সি বেণুগোপালও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতা-কর্মীকে এ দিন আটক করেছে। তেমনটাই খবর সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে।
কংগ্রেস নেতৃত্বের অভিযোগ, সোমবার বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আহত হন বহু বিক্ষোভকারী। পুলিশের এই ঘৃণ্য আচরণের জন্য সঠিক জবাব মিলছে না সরকারের তরফে। এমনকি সংসদেও এই বিষয়ে আলোচনার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। রাহুল বলেন, "দেশের শিক্ষা ও পরীক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়েছে।" দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার দায় নিয়ে তিনি অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্ব পদত্যাগ দাবি করেন।
রাহুলের অভিযোগ, পড়ুয়াদের ন্যায্য দাবিকে দমন করতেই কেন্দ্রীয় সরকার পুলিশি শক্তি ব্যবহার করছে। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে পৌঁছানোর আগে রাহুল গান্ধী রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে গিয়ে আহত বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দেখা করেন। অন্যদিকে, এনসিপি (এসপি) প্রধান শরদ পওয়ারও এ দিন পড়ুয়াদের আন্দোলনে সংহতি জানাতে যন্তর মন্তরে প্রতিবাদস্থলে পৌঁছন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংসদের বাদল অধিবেশনের শুরুতেই জাতীয় রাজনীতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
এ দিকে, সোমবার সিজেপি-র মিছিলে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের উপর দিল্লি পুলিশ 'অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ'-এর- অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার জরুরি শুনানিতে রাজি হয়নি আদালত। প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় ও বিচারপতি তেজস কারিয়ার বেঞ্চ এ দিন স্পষ্ট করে দেয়, "এসবের মধ্যে আদালতকে টানবেন না।" তবে বুধবার মামলাটির শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে।
















