আজকাল ওয়েবডেস্ক: মাঝরাতে ঘুম ভাঙতেই প্রস্রাভ করতে গিয়েছিলেন এক যুবক। শৌচালয়ের দরজা খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ। শৌচালয়ের মধ্যেই ঘাপটি মেরে লুকিয়ে ছিল বিশাল আকৃতির এক কুমির। মাঝ রাতেই তুমুল শোরগোল এলাকায়। এই ঘটনার গ্রামজুড়ে বিরাট হইচই।

 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাটের আনন্দ জেলায়। ওই জেলার এক পরিবার মধ্যরাতে শৌচালয় থেকে ৭ ফুটের একটি কুমির উদ্ধার করে। জানা গিয়েছে, বাড়ির সদস্যরা সেই সময় ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। রাতেই ওই বিশালাকৃতির কুমিরটি শৌচালয়ে ঢুকে পড়ে। রাতে প্রস্রাব করতে যাওয়ার সময়েই চমকে ওঠেন ওই পরিবারের এক সদস্য। 

 

রাতের বন দপ্তরের কর্মীদের খবর পাঠানো হয়। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টার পর ওই শৌচালয় থেকে কুমিরটিকে উদ্ধার করেন বনদপ্তরের কর্মীরা। এরপর ভোররাতেই সেটি স্থানীয় এক পুকুরে ভাসিয়ে দেন উদ্ধারকারীরা। বনদপ্তরের কর্মীদের দাবি, বিশেষত বর্ষাকালে এই ধরনের ঘটনা ঘটে গ্রামে। অতীতেও ঘটেছে। অতি বৃষ্টির পর বন্যা ও নদী, জলাশয়ের জলস্তর বৃদ্ধি পেলেই কুমির গ্রামের লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। 

 

চলতি সপ্তাহের শুরুতেই বালাভাই চৌহানের বাড়িতেই ঘটনাটি ঘটেছে। মাঝরাতে তাঁর ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। প্রস্রাব করতে যাওয়ার সময়েই শুনতে পান, শৌচালয়ের বাইরে কয়েকটি কুকুর চিৎকার করছে। এরপর শৌচালয়ের দরজা খুলতেই চমকে ওঠেন ওই যুবক। তড়িঘড়ি পরিবারের সদস্যদের খবর পাঠান। রাতেই বন দপ্তরের কর্মীদের ডেকে পাঠান তাঁরা। 

 

স্থানীয়রাও এলাকায় জড়ো হয়ে যান। বন দপ্তরের পাশাপাশি স্থানীয় কয়েকজন উদ্ধারকারীও এই উদ্ধারকাজে সহায়তা করেন। কয়েক ঘণ্টা পর কুমিরটিকে উদ্ধার করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটির পর স্থানীয়দের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বন দপ্তরের তরফে।