আজকাল ওয়েবডেস্ক: দূষণ মোকাবিলায় এবার দিল্লিতে নিষিদ্ধ হল তন্দুর। জাতীয় রাজধানীতে বায়ুদূষণের মাত্রা মারাত্মক। অনেক পদক্ষেপের পরও তা কমার লক্ষ্মণ নেই। এই অবস্থায় কয়লা ও জ্বালানি কাঠে চলা তন্দুর ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করল দিল্লি দূষণ নিয়ন্ত্রণ কমিটি। শহরের সব হোটেল, রেস্তরাঁ, ধাবা এবং রাস্তার ধারের খাবারের দোকানে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় দিল্লির আনন্দ বিহার এবং আইটিও-তে বায়ু মানের সূচক (একিউআই) প্রায় ৪০০ ছুঁয়েছে। রবিবার যা ছিল ৫০০। এই পরিস্থিতিতে কয়লা ও কাঠে চলা তন্দুর থেকে বের হওয়া ধোঁয়া ও ফ্লাই অ্যাশ দূষণ আরও বাড়াচ্ছে বলে প্রশাসনের মত।
৯ই ডিসেম্বর সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর একটি প্রতিবেদন অনুসারে, দিল্লি দূষণ নিয়ন্ত্রণ কমিটির জারি করা আদেশটি ১৯৮১ সালের বায়ু (প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ) আইনের ৩১(এ) ধারার অধীনে জারি করা হয়েছে।
সমস্ত রেস্তোরাঁ এবং খাবারের দোকানকে অবিলম্বে বৈদ্যুতিক, গ্যাসচালিত বা অন্যান্য পরিচ্ছন্ন জ্বালানির যন্ত্র ব্যবহার শুরু করতে হবে।
দিল্লি-এনসিআর-এ বায়ুর গুণমান খারাপ থাকায় গত শনিবার গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান (জিআরএপি)-এর চতুর্থ পর্যায় বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। কমিশন ফর এয়ার কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট (সিএকিউএম) জানিয়েছে যে, দূষণের মাত্রা সংকটজনক সীমা অতিক্রম করার পর তাদের জিআরএপি উপ-কমিটি অবিলম্বে চতুর্থ পর্যায় বা 'সিভিয়ার প্লাস' বায়ু মানের অধীনে সমস্ত ব্যবস্থা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জিআরএপি ফোর-এর অধীনে, জৈববস্তু, বর্জ্য বা অনুরূপ উপকরণ (যার মধ্যে কয়লাও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে) খোলা জায়গায় পোড়ানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুসারে, 'শহুরে স্থানীয় সংস্থা, যার মধ্যে পৌর সংস্থাগুলির কমিশনার এবং প্রধান প্রকৌশলীরাও অন্তর্ভুক্ত, তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে- তারা যেন পরীক্ষা করে নিশ্চিত করে যে তাদের এখতিয়ারের অধীনে থাকা সমস্ত খাবারের দোকান অবিলম্বে কয়লা এবং কাঠ ব্যবহার বন্ধ করেছে।' এতে আরও বলা হয়েছে য়ে, অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগে স্পিড পোস্ট এবং ইমেলের মাধ্যমে আদেশটি পাঠানো হয়েছে।
